কৃষিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ১৪১৯ (২০১৩)’ দেয়া হয়েছে ৩০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে।
শনিবার বিকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাঁচ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ পদক, আট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে রৌপ্য এবং ১৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ব্রোঞ্জ পদক দেন।
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক উপস্থিত ছিলেন।
কৃষিতে নারীদের অবদানের জন্য বান্দরবানের মাসিং নু মার্মা, কৃষি গবেষণায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহ, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মৎস্য চাষের জন্য কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের মো. সামছুউদ্দিন (কালু), কৃষি সম্প্রসারণে অবদান রাখায় কিশোরগঞ্জ উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ছাইদুন্নেছা এবং কৃষি গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্মপ্লাজম সেন্টারকে স্বর্ণ পদক দেয়া হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণে অবদান রাখায় রংপুর ক্যান্টনমেন্টের জিওসি মেজর জেনারেল মো. সালাহ উদ্দিন মিয়াজী ও দিনাজপুরের ডা. মো. আনোয়ার হোসেন, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ব্যবহারে বিশেষ সাফল্যের জন্য ঝিনাইদহের মর্জিনা বেগম, কৃষক পর্যায়ে উচ্চ মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য খুলনার মো. আবু হানিফ মোড়ল, সামাজিক বনায়নের জন্য চট্টগ্রামের মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি চাষের জন্য গাইবান্ধার আব্দুল গফুর এবং বাণিজ্যিকভিত্তিক খামার স্থাপনের জন্য চিটাগাং মেরিডিয়ান এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও নাটোরের মো. সেলিম রেজা রুপার পদক পেয়েছেন।
রংপুরের বাঘের বাজার লাইভলিহুড ফিল্ড স্কুল ও ওহিদ শেখ, সাতক্ষীরার ফরিদা পারভীন ও অল্পনা রানী মিস্ত্রী, কুমিল্লার ডা. মানবেন্দ্র নাথ সরকার, জাহেদুল হক ও মনজুর হোসেন,পাবনার আঁখি মনি কৃষি খামার ও হাফিজুর রহমান, নওগাঁর মো. সালাহ উদ্দিন উজ্জ্বল, যশোরের অঞ্জু সরকার, মৌলভীবাজারের হুমায়ুন কবীর,নীলফামারীর রাজেন্দ্র নাথ রায়, ফেনীর আজিজুল হক,ময়মনসিংহের ইন্তেখাবুল হামিদ, রাঙ্গামাটির জ্যোজিসার মহাস্থবির এবং বগুড়ার বেলাল হোসেন সরদার ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছেন।
