এখন থেকে প্রকল্প পরিচালক পরিবর্তন করতে হলে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত প্রজ্ঞাপন মন্ত্রণালয়গুলোকে মেনে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ছাড়া যদি কোনো প্রকল্প পরিচালকে বদলী করতে হলে অবশ্যই পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হবে। পরবর্তী বছর থেকে ভিন্ন আঙ্গিকে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন করা হবে। এ লক্ষ্যে প্রকল্পের কাজ শুরুর আগেই বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে উল্লেখ করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এডিপি বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়ে রবিবার শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, একটি প্রকল্পের বিভিন্ন অংশকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করে তা তদারকি করা হবে। যেসব প্রকল্প ভালভাবে কাজ করছে না সেসব প্রকল্প থেকে অর্থ কাজ ভালো হচ্ছে এমন প্রকল্পে স্থানান্তর করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে পরিকল্পনা বিভাগ, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরের (২০১৪-১৫) জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত এ পাঁচ মাসে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ মিলিয়ে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ২১ শতাংশ। ১০ শতাংশের নিচে বাস্তবায়ন হয়েছে এমন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংখ্যা ১৫টি। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য রয়েছে, সেতু বিভাগ, রেলপথ, সেতু, শিল্প, সমাজকল্যাণ, পানি সম্পদ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের ৯৫ কোটি টাকার ৩ টি প্রকল্পের কোনোটিতেই ব্যায় নেই।
ব্যয় না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এর মধ্যে অনেকগুলো কারিগরি প্রকল্প রয়েছে। আমাদের প্রকল্পের ব্যযকৃত অর্থ পরিশোধ করা হয় শেষ তিন মাসে। এক প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, পাঁচ মাসে ২১ শতাংশ এডিপি বাস্তয়ন সন্তোষজনক। এবছর এ ভাবেই এডিপি বাস্তবায়ন হবে। ঢাকা-চট্রগ্রাম চারলেন প্রকল্পর বাস্তবায়ন অগ্রগতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, একদম দিনক্ষণ দিয়ে বলা যাবে না এই প্রকল্প কবে শেষ হবে। তবে আমি আশাবাদী আগামী অর্থবছরের মধেই এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।
আগামী ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এই দলিলটা কেবল ৫ বছরের জন্য নয়। এটা হবে একটি ভিত্তি দলিল। সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করা হবে শিক্ষা খাতে।
