বাণিজ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ এমপি বলেছেন, বিএনপির আন্দোলনের হুমকিতে কোন লাভ হবে না। ২০১৯ সালের একদিন আগেও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে না। সরকারের মেয়াদ শেষ হলে সঠিক সময়েই নির্বাচন হবে। দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চাইলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে।
গতকাল রবিবার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এর আগে সরকার প্রধান এবং দলীয় প্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পৃথকভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, সরকার দেশের কল্যাণের জন্য কাজ করছে। আর বিএনপি আন্দোলনের নামে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে। দেশে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা মেনে নেয়া হবে না। পরবর্তী নির্বাচন শেখ হাসিনার অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষ হলে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মা শান্তি পাবে। বিজয়ের প্রাক্কালে একাত্তরের ঘাতকরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করে জাতিকে পিছিয়ে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশ পিছিয়ে যায়নি, এগিয়ে গেছে, আরো এগিয়ে যাবে। যতদিন বাংলার মাটিতে একাত্তরের মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষ হবে না, ততদিন পর্যন্ত শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মা শান্তি পাবে না।
এ সময়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ ও সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এমপি, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, আইন সম্পাদক আবদুল মতিন খসরু, উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অসীম কুমার উকিল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
