শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় বাহিনীগুলোর পাশাপাশি জনগণেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু ইদানিং দেখা যাচ্ছে, কোন কোন দলের নেতা-নেত্রীরা কোন কোন সংস্থার প্রধানদের নাম নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন। এ ধরনের বক্তব্য জাতির জন্য ক্ষতিকর, দেশের জন্য ক্ষতিকর। কারণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক না থাকলে কোন দলেরই কাজ করার পরিস্থিতি থাকবে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়ে কাউকে ফায়দা লুটতে দেয়া হবে না।
বুধবার আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকশেষে শিল্পমন্ত্রী এ কথা বলেন।
সম্প্রতি এক জনসভায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল আহসানকে গুম-হত্যাকান্ডের জন্য দায়ী করে তাকে গ্রেপ্তারের দাবি করেন।
আমির হোসেন আমু বলেন, সভায় মামলা জট, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক ও মানব পাচার রোধ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নাম ধরে কোনো সংস্থার বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়া দেশ ও জাতির বিরুদ্ধে বক্তব্য হচ্ছে বলে কমিটি মনে করছে। উষ্কানিমূলক বক্তব্য কাম্য নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য চাঁদাবাজি বা অন্য কোনো অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি জানান, ফেনসিডিল পাচার ৯০ শতাংশ কমেছে। ইয়াবা ঠেকাতে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, পানি সম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
