গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীদের পরিবেশবিষয়ক সংগঠন ‘এনভায়রনমেন্ট ওয়াচ: বুয়েট’ এক সেমিনারের আয়োজন করে। সেমিনারে অধিকাংশ বক্তা অভিমত প্রকাশ করে বলেন, সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে জাহাজডুবিতে তেল ছড়ানোর ফলে সুন্দরবনের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হতে পারে। তবে ক্ষতি মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা পরিকল্পিত হলে তা হয়তো অনেকটাই কমে আসতে পারত।
‘সুন্দরবনে ছড়িয়ে পড়া তেল: প্রভাব ও সমাধান’ শীর্ষক এ সেমিনারে আলোচক হিসেবে সেমিনারে অংশ নেন স্থপতি ইকবাল হাবিবসহ বুয়েটের সাতজন শিক্ষক। বক্তারা সুন্দরবনের কাছে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ বন্ধেরও সুপারিশ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের সেমিনারকক্ষে আয়োজিত সেমিনারে আলোচকেরা বলেন, তেল ছড়ানোর ঘটনায় মৃতদেহ দেখা যাচ্ছে না। এর অর্থ এই নয় যে সুন্দরবনের ক্ষতি হবে না। তাঁরা বলেন, তেলের সংস্পর্শে উদ্ভিদ ও প্রাণীর শ্বাসকষ্টের সমস্যা হতে পারে। মাছ ও অন্যান্য প্রাণীর প্রজননেও সমস্যা হবে। এছাড়া তেলের কারণে অনেক প্রাণী বাংলাদেশ অংশ থেকে ভারতের অংশে চলে যাবে বলেও আশংকা প্রকাশ করেন বক্তারা।
