ইত্তেফাকের ৬২ বছরে পদার্পণে যশোরে সাংবাদিক-সুধিজনের মিলনমেলা

আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪, ১৪:৪৮
 
 
 
বুধবার সকালে যশোর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে দৈনিক ইত্তেফাকের ৬২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানটি সাংবাদিক-রাজনীতিবিদ এবং সুধিসমাজের মিলনমেলায় পরিনত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আলাউদ্দীন মিয়া। শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ শ্রীতারাপদ দাস, প্রেসক্লাব যশোরের সাবেক সভাপতি জমির আহমেদ টুন, ফকির শওকত ও মিজানুর রহমান তোতা, বর্তমান সভাপতি জাহিদ হাসান টুকন, জাসদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও চাঁদের হাট সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল আলম, জেইউজে সভাপতি রিমন খান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি হারুন অর রশিদ ও সম্পাদক  সুকুমার দাস। অনুষ্ঠানে আইডিইবি’র কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি এম আর খায়রুল উমাম, টিইউসি’র কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান মজনু, জেলা জাসদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আবুল কাশেম, বিশিষ্ট সাংবাদিক রুকুনউদ্দৌলাহ্, দৈনিক লোকসমাজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আনোয়ারুল কবীর নান্টু, দৈনিক স্পন্দনের নির্বাহী সম্পাদক মাহবুবুল আলম লাভলু, জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মিলন পরিষদের জেলা সম্পাদক শ্রাবণী সুর, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সম্পাদক মাহমুদ হাসান বুলু, সাংস্কৃতিক সংগঠন স্পন্দনের সম্পাদক শরীফুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেন ও মশিয়ার রহমান, সংবাদপত্র পরিবেশক ইজাহার আলী, ইত্তেফাকের উপজেলা প্রতিনিধিসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার অর্ধশতাধিক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের অতিথিবৃন্দ কেক কেটে ইত্তেফাকের ৬২ বছরে পদার্পনের শুভ কামনা করেন। ইত্তেফাক যশোর অফিসের স্টাফ রিপোর্টার আহমেদ সাঈদ বুলবুল অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আলাউদ্দীন মিয়া বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে এদেশের জনগণের প্রত্যাশা এবং প্রাণের কথা জানান দেয়ার জন্য ইত্তেফাক অনন্য ভূমিকা রেখেছিল। আর এ কারণেই ইত্তেফাক ইতিহাসের অংশে পরিণত হয়েছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল আলম বলেন, মুক্তিযুদ্ধ এবং ইত্তেফাক সমার্থক শব্দে পরিণত হয়েছে। একটিকে বাদ দিয়ে আরেকটি পূর্ণাঙ্গতা পায়নি। শিক্ষাবিদ শ্রীতারাপদ দাস বলেন, ইত্তেফাক না পরলে দিনের সব কাজের যেন পূর্ণতা পায় না। অন্যান্য বক্তারা সাংবাদিকতার সুমহান অতীত ঐতিহ্য বজায় রেখে এ প্রজন্মের চাহিদার নিরিখে পত্রিকার আরও আধুনিকতার ওপর পরামর্শ দেন।