পাঠকের শুভেচ্ছায় সিক্ত ইত্তেফাক পরিবার

গণমুখী সাংবাদিকতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয়

আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪, ১৮:১০
 
পেরিয়ে আসা দীর্ঘ ছয় দশকের মত আগামি দিনগুলিতেও সত্য, ন্যায় ও গণমুখী সাংবাদিকতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় জানিয়ে পালিত হলো দৈনিক ইত্তেফাক এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। অতিথিবৃন্দ শুভেচ্ছা জানাতে এসে প্রত্যাশা করলেন, ইত্তেফাক কখনোই অন্যায়ের সঙ্গে আপোস করেনি, ভবিষ্যতেও সাংবাদিকতার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হবে না।
 
IMG0
 
বুধবার অগণিত পাঠকের ভালোবাসায় সিক্ত হলো দৈনিক ইত্তেফাক পরিবার। ৬২ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে কাওরান বাজারের নিজস্ব ভবনে ইত্তেফাক অফিস ভরে উঠেছিল পত্রিকার শুভার্থী, বন্ধু, বিজ্ঞাপনদাতাদের পদচারণায়। সকাল থেকে রাত অবধি ইত্তেফাক ভবনে এসে শুভেচ্ছা জানিয়ে গেছেন সরকারের মন্ত্রী, রাজনীতিবিদ, শিল্পী, সাহিত্যিক, ইত্তেফাকের নিয়মিত লেখক, বিজ্ঞাপনদাতাসহ আরো অনেকে। সারাদিন ধরেই উত্সবমুখর পরিবেশে সবাই উদযাপন করলো এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনটিকে।
দুপুর সাড়ে ১২টায় কেক কেটে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়। দৈনিক ইত্তেফাকের প্রাণপুরুষ পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ও ইত্তেফাক-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক তাসমিমা হোসেনের সঙ্গে এ কেক কাটায় অংশ নেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বীসহ দেশের রাজনীতিবিসহ গণমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এদিকে, বিভিন্ন সংগঠন ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে ইত্তেফাক ভবনে আসেন। সারদিন ধরেই তাদের এই শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ও দৈনিক ইত্তেফাক-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক তাসমিমা হোসেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাক-এর কার্যনির্বাহী সম্পাদক মহিবুল আহসান, পরিচালক রেজাউল আহসান ও ফারজানা আহসান।
দৈনিক ইত্তেফাকের এই আন্দঘন মুহূর্তে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক তাসমিমা হোসেন বলেন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে স্বাধীকার আন্দোলনের যে প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে তার সাথে ইত্তেফাক ঘনিষ্টভাবে সম্পর্কযুক্ত ছিল। দৈনিক ইত্তেফাক মহান মুক্তিযুদ্ধের সেই অর্জনকে অবলম্বন করেই সামনে এগিয়েছে। আগামিতেও গণমানুষের মুখপত্র হিসাবেই ইত্তেফাক তার দায়িত্ব পালন করে যাবে।
কেক কাটার অনেক আগেই শুভেচ্ছা জানাতে ইত্তেফাক ভবনে এসে হাজির হন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী।
একে একে এসে উপস্থিত হন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী, নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলু এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ এমপি, জাতীয় পার্টির - জেপি মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, অতিরিক্ত মহাসচিব সাদেক সিদ্দিকী, সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, সাবেক মন্ত্রী ও সাম্যবাদী দলের (একাংশ) সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, মহাসচিব হামিদুল্লাহ আল মেহেদী প্রমুখ।
সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এসেছিলেন। এদের মধ্যে ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়ির সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মুশফিকা ইকফাত্, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এ কাদের সরকার, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সাবেক সচিব আবু আলম মোহাম্মদ শহীদ খান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মিজানুর রহমান, বিজিএমইএ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট শহীদুল্লাহ আজিম, ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক হুমায়ুন কবির, ইসলামি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক ও সাংবাদিক এবং সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারাও এসেছিলেন শুভেচ্ছা জানাতে। এদের মধ্যে ছিলেন প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, দৈনিক সমকালের সম্পাদক গোলাম সারোয়ার, বৈশাখী টিভির প্রধান সম্পাদক ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, মহাসচিব আব্দুল জলিল ভুঁইয়া, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, এটিএন নিউজের হেড অব নিউজ মুন্নী সাহা, এটিএন নিউজের প্রধান নির্বাহী সরকার ফিরোজ, বিএফইউজের অপর অংশের মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাধারন সম্পাদক কুদ্দুস আফ্রাদ, ডিইউজের অপর অংশের সভাপতি আব্দুল হাই শিকদার ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান।
এসেছিলেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজি জাবেদ পাটোয়ারি, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার বেনজির আহমেদ, এসবি ডিআইজি মাহবুব হোসেন, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান,  উপ-কমিশনার (তেজগাঁও) বিপ্লব কুমার সরকার, ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নুরুন্নবী ও তেজগাঁও থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম।
শুভেচ্ছা জানাতে এসেছিলেন র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল আহসান, লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান, গোয়েন্দা উইংয়ের পরিচালক আবুল কালাম আজাদ ও সহকারী পরিচালক ক্যাপ্টেন মাকসুদুল হক।
আরো এসেছিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মহসিন রেজা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আব্দুস জাহের, যুক্তরাজ্য প্রবাসী ব্যবসায়ী একে আজাদ, আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খান প্রমুখ।
এছাড়াও, ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান ঢাকা সংবাদপত্র হকার্স বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি মোস্তফা কামাল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুস সোবহান, প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ শরীফ ও আবুল কাশেম শরীফ, সার্কুলেশন ম্যানেজার আবুল কালাম, সংবাদপত্র হকার্স কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির সহ-সভাপতি নুরুল আমীন, সাধারণ সম্পাদক মো: আলাউদ্দীন, সার্কুলেশন ম্যানেজার মো: জাহাঙ্গীর প্রমুখ।
যেসব সংগঠন ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায়
সংবাদপত্র হকার্স কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লি:, সমকাল, ওয়ালটন, বণিক বার্তা, বাংলাভিশন, হাওয়াই মিঠাই, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, ঢাকা সংবাদপত্র হকার্স বহুমুখী সমবায় সমিতি লি:, হিমছড়ী এ্যাডভারটাইজিং, রেসপন্স এ্যাডভারটাইজিং, ইত্তেফাক সাংবাদিক-কর্মচারী স্টিয়ারিং কমিটি, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, র্যাব ফোর্সেস, এডপ্লাস, বাংলাদেশ সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশন।
 
ইত্তেফাক-এর কাছে বিশিষ্টজনদের প্রত্যাশা
 
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, স্পিকার, জাতীয় সংসদ
বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সংবাদপত্র হিসেবে ইত্তেফাক ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে জনগনের কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। পূর্বপাকিস্তানের প্রতি বৈষম্য, ছয় দফা থেকে শুরু করে দীর্ঘ ৬২ বছর পথচলায় বলিষ্ঠ উচ্চারণে বস্তুনিষ্ঠ পরিবেশনায় এক অনন্য উজ্জ্বল সংবাদপত্র।
হাসানুল হক ইনু তথ্যমন্ত্রী
ইত্তেফাকের প্রতিষ্টাবার্ষিকীতে এসে ভাসানী, সোহরাওয়ার্দী, বঙ্গবন্ধু এবং মানিক মিয়ার কথা সম্মানের সাথে স্মরণ করছি। দেশের সোদা মাটির গন্ধ নিয়ে ইত্তেফাক স্বাধীকার আন্দোলন, অসামপ্রদায়িক চেতনা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ গঠনে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। আজও সেই ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন আছে।
ব্যারিষ্টার আমির-উল ইসলাম
৬ দফা ও ১১ দফা প্রতিষ্ঠার পিছনে ইত্তেফাকের যে অবদান সেটা স্মরণীয়। বাংলাদেশ থাকলে এই ইতিহাস চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এদেশে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতায় ইত্তেফাক অবদান রেখেছে। এছাড়া দেশের সাংবাদিকতার জগতকে সমৃদ্ধ করেছে ইত্তেফাক।
নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য
এদেশের মানুষ ইত্তেফাক পড়ে দেশের রাজনীতির গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে জানতেন। ইত্তেফাক আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। মুক্তিযুদ্ধে আমাদের প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে ইত্তেফাক। অনেক চড়াই-উত্রাই পার হয়ে আজ ইত্তেফাক এখানে এসেছে। ইত্তেফাক কখনোই কারো কাছে মাথা নোয়ায়নি, আপোষ করেনি অন্যায়ের সাথে। তবে অতীতে যেভাবে ইত্তেফাক গণমানুষের মুখপত্র হিসেবে কাজ করেছে, আশা করব ভবিষ্যতে তা বজায় রাখবে। গণতন্ত্র ও দেশের মানুষের অধিকারের প্রশ্নে আপোষ করবে না। 
এম কে আনোয়ার, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য
ইত্তেফাক তো শুধু একটি পত্রিকা না, এটা একটা প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন, সংগ্রামের সাথে ইত্তেফাক জড়িয়ে আছে। সবসময় সাধারণ মানুষের কথা বলে তারা। ইত্তেফাকের কথা বলতে গেলে মানিক মিয়ার কথা বলতেই হবে। তিনি তার লেখনির মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। আগামী দিনে আশা করব, ইত্তেফাক তার অতীত ঐতিহ্য বজায় রেখে সাধারণ মানুষের কথা বলবে, দেশের যেকোন আন্দোলন, সংগ্রামে বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে।
ড. আব্দুল মঈন খান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য
ইত্তেফাকের সাথে বাংলাদশের ইতিহাস জড়িয়ে আছে। বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠায় ইত্তেফাক জোড়ালো ভূমিকা রেখেছে। তবে আগামী দিনে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে অতীতের মতো জনগনের সাথে তাদের সম্পৃক্ততা আরো বাড়াতে হবে। তার অতীত ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করতে হবে। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও আপোষহীনভাবে সত্য প্রকাশে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে ইত্তেফাককে।
দিলীপ বড়ুয়া, সাম্যবাদী দলের প্রধান
বাংলাদেশের জাতিসত্ত্বা, গণতান্ত্রিক আন্দোলন, সংগ্রামে ইত্তেফাক জড়িয়ে আছে। বাঙালির অধিকার রক্ষার আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে ইত্তেফাক। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে ইত্তেফাক। ইত্তেফাকতো শুধু একটি নাম নয়, আজ এটা একটা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক অসামপ্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আগামীতে ইত্তেফাক আরো বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে এটাই আশা করি।
মোহাম্মদ আবদুল মোবারক, নির্বাচন কমিশনার
প্রগতিশীল ও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সংবাদপত্র হিসেবে দৈনিক ইত্তেফাকের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক। ইত্তেফাক অতীতের মতো আগামীতেও সত্য, ন্যায় ও গণমানুষের পক্ষে স্বোচ্চার থাকবে বলে প্রত্যাশা করছি।
গোলাম সারওয়ার সম্পাদক, সমকাল
ইত্তেফাকের নবজাগরণে দূর থেকে আমি এর সঙ্গী।
আবুল কালাম আজাদ, প্রধান সম্পাদক, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস)
১৯৭৩ সালে ইত্তেফাকের হাত ধরে আমার সাংবাদিকতার শুরু করে ২০০০ সাল পর্যন্ত ছিলাম। সংবাদ দেয়ার ক্ষেত্রে আমরা অনেক সতর্ক ছিলাম।
মতিউর রহমান সম্পাদক প্রথম আলো
পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে বাংলাদেশ সৃষ্টিলগ্নে ইত্তেফাক বেশ কিছু সাহসী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অনেক কাজ করেছে। আরো অনেক কাজ করার সুযোগ আছে। বর্তমান সময়ে তরুণরা পত্রিকা পড়তে চায় না। তাদেরকে পত্রিকামুখী করার জন্য তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর গণমাধ্যমের বাস্তব প্রেক্ষাপট নিয়ে কাজ করতে হবে। 
মনজুরুল আহসান বুলবুল, প্রধান নির্বাহী বৈশাখী টেলিভিশন
গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইত্তেফাক নেতৃত্ব দিচ্ছে। দেশ সেরা সাংবাদিকরা ইত্তেফাক থেকে শিখে এসেছেন। অনেকের সাংবাদিকতার হাতেখড়ি এখান থেকে হয়েছে।
বেনজীর আহমেদ পুলিশ কমিশনার, ঢাকা মেট্রোপলিট্রন পুলিশ
ইত্তেফাকের স্বগৌরবে শতবর্ষ পূরণ করুক প্রতিষ্ঠাবার্ষিকতে এটাই আমার প্রত্যাশা।
পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিনেতা
দেশের ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করতে গেলে অবধারিতভাবে ইত্তেফাকের নাম চলে আসবে। এরচাইতে বেশি সম্মান আর কোন প্রতিষ্ঠানের নেই।
মালেকা বানু, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ
ঐতিহ্যবাহী পত্রিকা ইত্তেফাক স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও অসামপ্রদায়িক আন্দোলনে একটি পত্রিকার ভূমিকা কি হতে পারে সেটা দেখিয়েছে। পত্রিকাটির সাফল্য প্রত্যাশা করছি।