আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার আগের আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের চেয়ে আরো বেশি শক্তিশালী। গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে বানচাল করতে বিএনপি যেভাবে সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছিল, ঠিক তেমনিভাবে এখন দেশে আন্দোলনের নামে অরাজকর পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তারা বিশেষ শক্তির ইঙ্গিতে বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়। পাড়া-মহল্লাসহ সব স্তরে বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত করতে হবে।’
শুক্রবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত চলমান রাজনীতি নিয়ে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পূর্বে বিএনপির হুমকি-ধমকিতে যে গুরুত্ব ছিল এখন আর নেই। বিএনপির বিদেশি প্রভুরাও বুঝেছে বিএনপির আন্দোলন করার মতো শক্তি ও সাহস কোনোটাই নেই।’ তাদের দিয়ে আর যাই হোক, আন্দোলন হবে না। সুন্দরবনে বিএনপির তদন্ত কমিটিকে ‘পিকনিক পার্টি’ এবং তারেক রহমানকে ‘বিশ্ব বেয়াদব’ আখ্যা দেন তিনি।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বকশীবাজারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা বিএনপির পরিকল্পিত। তা না হলে কেন বিএনপির কর্মীদের হাতে সে দিন লাঠি থাকবে? বেগম জিয়া তার দুর্নীতির মামলায় হাজিরা দিতে অনেক দিন আদালতে যান না। তিনি জানেন— এই মামলায় তার শাস্তি হবে। তাই নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে আদালতে না যাওয়ার ক্ষেত্র তৈরির জন্যই পরিকল্পিতভাবে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীদের দিয়ে এই সহিংসতা পরিচালনা করেছেন। বিএনপি এক দিকে, তাদের বিদেশি বন্ধুদের দিয়ে সরকারকে চাপ দিচ্ছে, অপর দিকে দেশে সহিংসতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।’
আওয়ামী লীগের উপকমিটির সহসম্পাদক হাসিবুর রহমান মানিকের সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, বলরাম পোদ্দার।
