ইন্দোনেশিয়া থেকে দেড় শতাধিক আরোহী নিয়ে সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পথে এয়ার এশিয়ার একটি বিমানের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ছয়টার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বলে জানিয়েছে বিবিসি।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্লাইট কিউজেড ৮৫০১-তে ১৬০ জন আরোহী ছিল। তবে রয়টার্স জানিয়েছে, বিমানটিকে ১৫৫ জন যাত্রী ও ক্রু ছিল। অন্যদিকে, এএফপি জানিয়েছে ১৬২ আরোহীর কথা, যার মধ্যে ১৫৫ জন যাত্রী ও সাতজন ক্রু ছিল।
রয়টার্স ও বিবিসি জানিয়েছে, যাত্রীদের মধ্যে তিনজন দক্ষিণ কোরিয়ার এবং একজন করে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও যুক্তরাজ্যের যাত্রী ছিল। বাকি যাত্রীরা ইন্দোনেশিয়ার।
জাকার্তা এয়ার ট্রাফিক জানিয়েছে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার আগে খারাপ আবহাওয়ার কারণে বিমানটি অপ্রচলিত একটি রুটে ওড়ার অনুমতি চায়।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে। এর ধ্বংসাবশেষ ইন্দোনেশিয়ার বেলিটাং দ্বীপের পূর্বে দেখা গেছে। তবে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিতভাবে কিছু জানায়নি।
উড়োজাহাজটির সন্ধানে কাজ শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়া এয়ার এশিয়া এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।
চলতি বছরের মার্চে মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের ফ্লাইট এমএইচ৩৭০ ইন্দোনেশিয়ার জার্কাতা থেকে চীনের বেইজিংয়ে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়। সেখানে ২৩৯ জন যাত্রী ছিল। এর চারমাস পর জুলাইয়ে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের আরেকটি বিমানের এমএইচ১৭ ফ্লাইটটি ইউক্রেইনের সংঘাতপূর্ণ এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভূপাতিত হয়। ঐ ফ্লাইটে থাকা ২৯৮ জন আরোহীর সবাই নিহত হন।
