তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘সরকার তথ্য ধামাচাপা দেয়ার দেয়াল ভেঙে দিতে তথ্য অধিকার (আরটিআই) আইন প্রণয়ন করেছে। এ আইনের ব্যাপক প্রয়োগ ঘটাতে হবে। তৃণমূল পর্যায়েও এ আইন বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে উত্সাহ যোগাতে হবে। তথ্য গোপন ও বিকৃতি করার চিরাচরিত ধারা ভাঙতে হবে।’
রবিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘তথ্য অধিকার আইন: বাংলাদেশের সুশীল সমাজ সংক্রান্ত সংগঠনসমূহের অনুধাবন ও চর্চা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ শ্রমকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ক্যাপাসিটি বিল্ডিং সার্ভিস গ্রুপ (সিবিএসজি) এ কর্মশালার আয়োজন করে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিদেশি ও স্বৈরশাসকরা তথ্য গোপনের যে দুস্কর্ম যুগ-যুগ ধরে গড়ে তুলেছে, তা ভাঙতেই তথ্য অধিকার আইনের যথাযথ প্রয়োগ ঘটাতে হবে। এর মধ্যদিয়েই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের পাশাপাশি সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে। ঔপনিবেশিক ও পাকিস্তানি শাসকদের তথ্য গোপন ও বিকৃতির অপচেষ্টা করত। স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশের সামরিক শাসকরা তাদের স্বার্থেই ‘সিক্রেসি অ্যাক্টে’র নামে তথ্য গোপনে অতীতের ধারা অব্যাহত রেখেছিল।
তিনি বলেন, গোষ্ঠী ও ব্যক্তি শাসনের পরিবর্তে আইনের শাসন ব্যবস্থা কায়েমের অন্যতম পন্থা হচ্ছে গণতন্ত্র। এজন্যই গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার বিষয়ে সকলকে আরো যত্নবান ও মনোযোগী হতে হবে।
