নিউইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয়তে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিস্ময় প্রকাশ

আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর ২০১৪, ২২:০০
 
 
 
বাংলাদেশে কর্মরত ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যানের সাজা নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত সম্পাদকীয় মন্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করেছে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশের ৫০ বিশিষ্ট নাগরিকের দেয়া বিবৃতির পূর্ণাঙ্গ অনুলিপিও তলব করেছে ট্রাইব্যুনাল। একটি জাতীয় দৈনিকের সম্পাদককে ওই বিবৃতির অনুলিপি ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছে। বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-২-এ আদেশ দেয়। বিবৃতির অনুলিপি ও নিউইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এ ব্যাপারে পরবর্তী আদেশ দেয়া হবে।
আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে গত ২ ডিসেম্বর ইংরেজি দৈনিক নিউএজের বিশেষ প্রতিনিধি ডেভিড বার্গম্যানকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে সাত দিনের কারাদণ্ড ও আদালত চলাকালীন দণ্ড দেয়া হয়। এ রায়ের পর নানা মহল থেকে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়। এর মধ্যে ২০ ডিসেম্বর প্রথম আলোতে প্রকাশিত ৫০ নাগরিকের বিবৃতি ও ২৩ ডিসেম্বর নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত সম্পাদকীয় আমলে নিয়ে রবিবার স্বপ্রণোদিত হয়ে আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।
ট্রাইব্যুনালের আদেশে বলা হয়, আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে সম্পাদকীয় মন্তব্য এবং বিবৃতি ভুল ধারণা থেকে করা এবং তা স্বীকৃত সীমার লংঘন। ‘ট্রাইব্যুনাল যে ন্যায় বিচারের সন্ধানে রয়েছে সে ন্যায় বিচার চাইলে অনতিবিলম্বে বার্গম্যানের শাস্তি প্রত্যাহার করা উচিত’—প্রখ্যাত আন্তর্জাতিক সংবাদপত্র নিউইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয় বোর্ড এমন মন্তব্য করায় আমরা বিস্মিত হয়েছি। নিউইয়র্ক টাইমসের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পূর্ণ সংবাদপত্র কী ভাবে একটি স্বাধীন দেশের আদালতকে বার্গম্যানের সাজা প্রত্যাহার করতে বলতে পারে তা আমাদের বোধগম্য নয়।