বাংলাদেশের জরুরি প্রয়োজনে চীন পাশে থাকবে

আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০১৪, ০১:৫৭

বাংলাদেশের জরুরি প্রয়োজনে চীন পাশে দাঁড়াবে বলে জানিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।

রবিবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত্কালে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে এ কথা বলেন।
গত ৬ বছরে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। এভাবে এগুতে থাকলে বাংলাদেশ ২০২১ সাল ও ২০৪১ সালের যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তাতে পৌঁছাতে পারবে। এক্ষেত্রে চীন বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে।
চীন ও বাংলাদেশের স্বপ্ন একই মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ তাদের শক্তি, সামর্থ্য কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশকে চীন অধিক ফলনশীল উন্নত জাতের ধান ও তার প্রযুক্তি দিবে বলে জানান চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার শান্তি-শৃঙ্খলা ও উন্নয়নে আরো অবদান রাখবে আশা প্রকাশ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চীন, ভারত, মিয়ানমার ও বাংলাদেশ এক সঙ্গে কাজ করতে পারে। এক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার উন্নয়নে বাংলাদেশ সেতু বন্ধন হিসেবে কাজ করতে পারে।
বাংলাদেশ থেকে আরো পাট ও পাটজাত পণ্য আমদানি করার আশা করেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
২০১৫ সালে বাংলাদেশ চায়না সম্পর্কের ৪০ বছর পূর্তি। জাঁকজমকপূর্ণভাবে এ উত্সব পালন করবে দুই দেশ। বৈঠকে এ বিষয়েও আলোচনা হয়। ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দুই দেশের শীর্ষ নেতারা দুই দেশ সফর করবেন। দু দেশের নেতাদের এ ধরনের সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরো গভীর করবে বলে আশা প্রকাশ করেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
আগামীতে চীনের রাষ্ট্রপতি কর্ণফুলী টানেলের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
চীন ও বাংলাদেশ দু’দেশের দারিদ্র্য বিমোচনে এক সঙ্গে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশ এক সঙ্গে কাজ করলে দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে দুই দেশ।
প্রধানমন্ত্রী চীনের উন্নয়নের অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, চায়নাকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে বাংলাদেশ অনুসরণ করবে।
চীন বাংলাদেশের উন্নয়নে আরো সহযোগিতা করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, চায়না, ইন্ডিয়া, মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন অনেক ভালো। ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে।

 বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বাংলাদেশ ও চীনের রাষ্ট্রদূত।