আসছে বছরে তার মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ছবিগুলো হচ্ছে গ্যাংস্টার রিটার্নস, এক্সকিউজ মি এবং লাভ ইউ প্রিয়া। এছাড়া বর্তমানে তিনি ব্যস্ত আছেন ‘ওয়ান ওয়ে রোড’ ছবির কাজ নিয়ে। না, হলিউডের অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বা জেনিফার অ্যানিস্টনের কথা বলা হচ্ছে না! বলা হচ্ছে না হলিউডের অন্য কোনো অভিনেত্রীর কথা! তিনি বাংলাদেশেরই একজন অভিনেত্রী। এসময়ের অভিনেত্রী শম্পা হাসনাইন।
তার ছবিগুলোর ইংরেজি নামের জন্য বন্ধু মহলেও কম মজা হয় না জানিয়ে শম্পা বলেন, ‘আমার বন্ধুরাও সব সময় আমার সাথে আমার ছবির নাম নিয়ে মজা করে! ওরা বলে আমি নিশ্চয়ই হলিউডের অভিনেত্রী। এজন্যই আমার ছবির নাম এমন! আমিও বেশ উপভোগ করি বিষয়টা!’
তবে কি তিনি ঢালিউড ছেড়ে হলিউডেরই বাসিন্দা হলেন কিনা জানতে চাওয়া হলে শম্পা বলেন, ‘মোটেও না! আমি এদেশেরই একজন অভিনেত্রী! আর আমার এই ছবিগুলোর জন্যই এখন সবাই এমন মজা করছে! আমার অভিষেক কিন্তু বাংলা নামের একটি ছবিতেই হয়েছিল! ছবিটির নাম ‘মাটির পিঞ্জর’। এছাড়া এ বছরেও আমার মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মনের মধ্যে লেখা’ ছবিটির বাংলা নামই ছিল! অথচ এরপরও এখন সবাই আমাকে হলিউডের অভিনেত্রীই বলছে!’
এখন অবশ্য বড়পর্দার চেয়ে ছোটপর্দাতেই ব্যস্ত সময় পার করছেন শম্পা। শম্পা বলেন, ‘এখন ধারাবাহিকের কাজেই বেশি ব্যস্ত। ধারাবাহিকগুলো বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচারিত হচ্ছে। এটিএন বাংলায় ‘দূরত্ব’, এশিয়ান টিভিতে ‘রঙের মেলা’, এনটিভিতে ‘টক্কোনাথ’ এবং বাংলাভিশনে ‘পড়েনা চোখের পলক’ প্রচারিত হচ্ছে। এছাড়া ৩০ ডিসেম্বর থেকে ‘জীবনের গল্প’ ধারাবাহিকের কাজ শুরু করবো।’
ছোট-বড় দুই পর্দাতেই সমান ব্যস্ততা। নিয়মিত হবার ইচ্ছা কোথায় জানতে চাওয়া হলে এই তরুণ অভিনেত্রী জানান, ‘চলচ্চিত্রে নিয়মিত কাজ করতে চাই। তবে যে ধরণের গল্পে কাজ করতে চাই তা তো আর সব সময় পাওয়া যায় না। এভাবে বেছে বেছে কাজ করলে বছরে হয়তো ৪/৫টির বেশি ছবিতে কাজ করা হবে না। আর ধারাবাহিকগুলোতে কাজ করছি চলচ্চিত্রের কাজের মাঝে যখন একটু অবসর মেলে। আসলে অভিনয়টাই আমার মূল ভালোবাসা। অভিনয়ের জন্যই তো মিডিয়াতে কাজ করছি। আর ধারাবাহিকগুলোতে কাজ করলে অভিনয়টাও একটা চর্চার মধ্যে থাকে। এজন্যই চলচ্চিত্রের পাশাপাশি টিভি নাটকেও কাজ করে যাচ্ছি।’
নতুন ছবির প্রত্যাশা সম্পর্কে শম্পা বলেন, ‘ফেরদৌস রেজার পরিচালনায় ‘ওয়ান ওয়ে রোড’ ছবির ৫০ ভাগ কাজ শেষ। এখন গান ও কিছু দৃশ্যের চিত্রায়ন বাকি। ছবিটিতে আমার বিপরীতে কাজ করেছেন সাগর। ছবিটি নিয়ে আমি খুব আশাবাদী। আমাদের দেশে সেভাবে হরর ছবি তৈরি হয় না। তাই ছবিটি নিয়ে প্রত্যাশাও একটু বেশি।’
