ভারতের মুম্বাই হাইকোর্ট ২০১৪ সালে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেসব রায় দিয়েছে এটি তার মধ্য একটি। রায়ে বলা হয়েছে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর পর প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করলে তাকে ধর্ষণ বলা যাবে না।
এছাড়াও আদালত তার পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, সকল শিক্ষিত মেয়েদেরই নিজেদের শারীরিক চাহিদা এবং শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার ফলাফল সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরী। আদালতের পক্ষ থেকে আরো বলা হয়, ভারতের বড় শহরগুলোতে বিবাহপূর্ব যৌন সম্পর্ক লুকানোর মত আর কোন ব্যাপার নয়। এ থেকে বুঝা যায়, সমাজ এক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
এ বছরের শুরুর দিকে রাহুল পাতিল নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে এরকম প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগে মামলার রায়ে আদালত তার অবস্থানের কথা জানায়। রাহুলের প্রাক্তন প্রেমিকা সীমা দেশমুখ ধর্ষণের অভিযোগে মামলাটি করেছিল। সীমার অভিযোগ ছিল, রাহুল প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করলেও অন্য একজন মেয়েকে বিয়ে করে।
তার জবাবে রাহুলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের দুজনের সম্পর্ক ছিল পরস্পরের সম্মতির ভিত্তিতে, কেউ কারো ওপর জোর করেনি। আর তারা দুইজন দুই ধর্মের অনুসারী হওয়ায় তার পক্ষে বিয়ে পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব হয়নি।
আদালতের পেশ করা তথ্য থেকে জানা যায়, তারা একে অপরকে ১৯৯৯ সাল থেকে চিনতো এবং ২০০৬ সাল থেকে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক ছিল। সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া
