কুমিল্লা মহানগরীতে মঙ্গলবার পুলিশ ও জামায়াত-শিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশের এসআই শাহজাহান, কনস্টেবল আল আমিনসহ ৩ পুলিশ ও জামায়াত-শিবিরের কমপক্ষে ১২ জনসহ ১৫ জন আহত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জামায়াত-শিবিরের ২ জনকে আটক করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর ছাতিপট্টি-চকবাজার সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলামের ফাঁসির রায় ঘোষণার পর দুপুর ২টার দিকে কুমিল্লা মহানগরীর চকবাজার এলাকায় জামায়াত-শিবির ঝটিকা মিছিল বের করে। এ সময় পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষ বাধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ে। এসময় উভয়পক্ষে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে ইট-পাটকেলের আঘাতে কোতয়ালী মডেল থানার এসআই শাহজাহান, কনস্টেবল আল-আমিনসহ ৩ পুলিশ আহত হন। এসময় পুলিশ মহানগর জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান ও শিবির কর্মী খোরশেদ আলমকে আটক করে। এদিকে মহানগর শিবিরের সভাপতি মো. শাহ আলম জানান, তাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের গুলি ও এলোপাতাড়ি লাঠির আঘাতে তাদের কমপক্ষে ১২ জন নেতা-কর্মী গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছে। কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মো. খোরশেদ আলম জানান, শিবিরের হামলায় এসআই শাহজাহান ও দুই কনস্টেবল আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১৪ রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়ে। এসময় জামায়াত-শিবিরের ২ নেতাকে আটক করা হয়। হামলার সাথে জড়িত অন্যান্যদের আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
