জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) তদন্ত দল জানিয়েছে, এ দুর্ঘটনা একটা ওয়েকআপ কল। এতে ম্যানগ্রোভ ও জলজ বাস্তুতন্ত্রের ওপর আপাতত তেলের প্রভাব সীমিত। তবে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব মোকাবেলায় নিয়মিত তদারকি ও সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে নৌ চলাচল বন্ধ করা উচিত। সুন্দরবন থেকে ফিরে আজ বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত দলের সদস্যরা একথা বলেন।
তারা গত ৯ ডিসেম্বর শ্যালা নদীতে ট্যাংকার ডুবির ফলে তেল ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন।
দুর্ঘটনার পর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ এবং নদীতে ট্যাংকার চলাচল বন্ধ করে দেয়ার জন্য তারা সরকার ও স্থানীয় লোকজনের প্রশংসা করে বলেন, এর ফলে তেল ছড়িয়ে পড়া থেকে বনকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। তারা জানান, নদীতে ছড়িয়ে পড়া ৩ লাখ ৫০ হাজার লিটার ভারি তেলের মধ্যে আনুমানিক ৬৮ হাজার লিটার উদ্ধার করা হয়েছে। তারা বলেন, এটি একটি মারাত্মক দুর্ঘটনা এবং সুন্দরবন বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হওয়ার কারণে এর প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর দেয়া উচিত।
