‘দ্বীপরাজ’ উদ্ধারে অভিযান চলছে

আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০১৫, ১৩:২৬
ঘন কুয়াশায় চরে আটকে যাওয়ার পর কীর্তনখোলা নদীতে ডুবে যাওয়া ঢাকা-বরিশাল রুটের যাত্রীবাহী লঞ্চ ‘এমভি দ্বীপরাজ’ উদ্ধারে অভিযান হয়েছে।
ঢাকার কেরানীগঞ্জের ‘মাইনুদ্দিন সার্ভেস’ নামে বেসরকারি একটি উদ্ধারকারী প্রতিষ্ঠান গত বুধবার থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ওই প্রতিষ্ঠানের সাথে ১৫ লাখ টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন দুর্ঘটনা কবলিত লঞ্চের মালিক। লঞ্চটি উদ্ধারে মোট ১৫ দিন সময় লাগবে বলে ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজে অংশ নেয়া কর্মীরা জানান।
দ্বীপরাজ লঞ্চের সুপারভাইজার নিয়াজ মোরশেদ জানান, উদ্ধারকারী প্রতিষ্ঠানের লোকজন ২৯ ডিসেম্বর সরেজমিনে দুঘর্টনা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে খরচের পরিমাণ এবং উদ্ধারের সময় সম্পর্কে লঞ্চ মালিককে ধারণা দেন। সে অনুযায়ী চুক্তি হওয়ার পর ৩১ ডিসেম্বর ওই প্রতিষ্ঠানের উদ্ধারকারী জাহাজ ‘মেহেদী হাসান রাকিব’ নিয়ে ১৮ জন দক্ষ শ্রমিক উদ্ধার কাজ শুরু করেছেন।
উদ্ধারকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. মাইনুদ্দিন মিয়া জানান, ‘মেহেদী হাসান রাকিব’র নদীর তলদেশ থেকে ৮শ টন ওজনের বস্তু তোলার ক্ষমতা রয়েছে।
গত ২৬ ডিসেম্বর রাতে বরিশাল থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকা যাওয়ার পথে এমভি দ্বীপরাজ লঞ্চটি ঘন কুয়াশার কারণে নগর সংলগ্ন চরআবদানী এলাকার কীর্তনখোলা নদীর চরে উঠে যায়।
পরে ওই রাতে সকল যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে লঞ্চটির যাত্রা বাতিল করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বরিশাল বন্দর বিভাগ।
এ সময় লঞ্চটির পেছনের এক তৃতীয়াংশ নদীতে ঝুঁকে থাকায় সামনের অংশে রশি দিয়ে নদীর তীরে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ লঞ্চটির পেছনের অংশ নদীতে ঝুঁকে থাকায় ধীরে ধীরে পানিতে ডুবে যায়।। যাত্রীদের অরক্ষিত অবস্থায় রেখে লঞ্চ কর্মীরা পালিয়ে যাওয়ায় পরদিনই বিআইডব্লিউটিএ লঞ্চটির রুট পারমিট বাতিল করে দেয়।