শেলা নৌ-রুট খুলে না দিলে কঠোর কর্মসূচির হুমকি

আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০১৫, ০০:৪০

সুন্দরবন রক্ষা, মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেল দ্রুত চালু, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও মোকাবেলায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, মংলা বন্দরকে রক্ষা, সুনিয়ন্ত্রিত ও পরিকল্পিতভাবে শেলা নদী সাময়িকভাবে চালুর মাধ্যমে বিপর্যস্ত শ্রমিক ও শিল্পকে বাঁচানোর দাবিতে মংলায় সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন।

সমাবেশে কেন্দ্রীয় নেতারা মংলা-ঘষিয়াখালী রুট চালু না হওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে সরকারকে শেলা নদী খুলে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন। এ জন্য তারা সরকারকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। দাবি না মানা হলে ৬ জানুয়ারি ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ৭ জানুয়ারি সকাল থেকে কর্মবিরতিসহ কঠোর কর্মসূচির হুমকি দেন তারা। বাংলাদেশ লঞ্চ লেবার অ্যাসোসিয়েশনের মংলা শাখার কার্যকরি সভাপতি আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী আশিকুল আলাম, নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. শাহ-আলম, সহ-সভাপতি ও জাহাজী শ্রমিক সংঘের সাধারণ সম্পাদক  বাহারুল ইসলাম বাহার, মংলা লঞ্চ লেবার অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক আবুল কাশেম মাস্টার প্রমুখ। আবুল কাশেম মাস্টার বলেন, গত ৯ ডিসেম্বর শেলা নদীতে দুর্ঘটনার পর থেকে ওই রুট দিয়ে সকল প্রকার নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর ফলে ৫০০ মালবাহী ও তেলবাহী লাইটার জাহাজ নদীর দুই দিকে অলস বসে থাকায় খাবার পানি, গোসলের পানি, খাদ্যাভাব দেখা দিয়েছে ওই সকল নৌযানে কর্মরত শ্রমিকদের মাঝে। তিনি আরো বলেন, সরকারের সিদ্ধান্তহীনতায় বর্তমানে মংলা বন্দরে জাহাজ আসছে না। পরিবর্তে বন্দর ত্যাগ করে চলে যাচ্ছে চট্টগ্রামে। এভাবে চলতে থাকলে পরিবহন ঘাটতির জন্য অনেক শিল্পই বন্ধ হয়ে যাবে। নতুন কোনো শিল্প গড়ে উঠবে না এ অঞ্চল ঘিরে।