আগামী ৫ জানুয়ারি সোমবার দশম সংসদ নির্বাচনের বছরপূর্তির দিন রাজধানীতে কেউ বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করলে পুলিশ কঠোর হস্তে তা দমন করবে। এ ব্যাপারে ডিএমপি সদর দফতরে থেকে মহানগর পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ঐ দিন রাজধানীতে পুলিশ ও র্যাবের দশ হাজার ফোর্স দায়িত্ব পালন করবে। অপরদিকে, শনিবার থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বসানো হয়েছে চেপপোস্ট। রাজধানীর প্রবেশ মুখগুলোতে বসানো হয়েছে বিশেষ চেকপোস্ট। পাশাপাশি মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের তত্ত্বাবধানে নগরীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, মেসসহ বিভিন্ন স্থানে তল্লাশী শুরু হয়েছে।
৫ জানুয়ারি ঢাকায় বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি দেয়ার বিষয়ে শনিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, বিএনপির সমাবেশের অনুমতি দেয়া পুলিশের ব্যাপার। ডিএমপি কমিশনারই জানেন, কাকে সভার অনুমতি দিতে হবে, কাকে না দিতে হবে। এটা উনার সিদ্ধান্ত।
শনিবার দুপুরে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের টঙ্গী অঞ্চলের কার্যালয়ে বিশ্ব ইজতেমার সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা সভায় যোগ দেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী । এসময় উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচিতে বাধা না দেয়ার ইঙ্গিত দিয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি একটি জিনিস স্পষ্ট করে বলতে চাই সেটা হল- রাজনৈতিক দল তাদের কর্মসূচি দেবে। সেগুলো যদি অন্য লোকদের ডিস্টার্ব করে কিংবা জ্বালাও-পোড়াওয়ের ঘটনা আসে, নাশকতা আসে, সেখানে আমাদের কিছু করণীয় আছে।
বিএনপির সমাবেশের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটা তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। তারা কী করবে, সেটা তো আমাদের কোনো ব্যাপার নয়। তবে আমাদের কথা হলো, যে-ই আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করতে চেষ্টা করবে, সেখানেই আমরা সচেষ্ট হব, নাশকতা করার প্রয়াস হলে আমরা তা প্রতিহত করবো।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, ৫ জানুয়ারি পুলিশ থাকবে হার্ডলাইনে। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ কঠোর অবস্থান নেবে। এ নিয়ে কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা। এ ব্যাপারে রবিবার ডিএমপি সদর দফতরে বৈঠক ডাকা হয়েছে। এখানে আরো কিছু নির্দেশনা দেবেন ডিএমপি কমিশনার।
