ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তারা এয়ার এশিয়ার ফ্লাইট ৮৫০১-এর ধ্বংসাবশেষ থেকে আরো মৃতদেহ উদ্ধারের আশায় মঙ্গলবার জাভা সাগরের তলদেশে অনুসন্ধানের জন্য ডুবুরি পাঠিয়েছেন।এর আগে খারাপ আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছিল বলে জানিয়েছিল ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকারীরা।
গত ২৮ ডিসেম্বর ১৬২ যাত্রী নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার সুরাবায়া থেকে সিঙ্গাপুরগামী এয়ার এশিয়ার ফ্লাইটটি বিধ্বস্ত হয়। এখন পর্যন্ত বিমানে থাকা যাত্রীদের ৪০টিরও কম মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার প্রধান সাম্বাং সোয়েলিসটিয়ো মৃতদেহ খুঁজতে সাগরের তলদেশে ডুবুরি পাঠানোর কথা নিশ্চিত করেছেন।
উদ্ধারকারীরা এখনো বিমানটির ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার বা ‘ব্ল্যাক বক্স’ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়নি। তবে তারা সাগরের তলদেশে বিধ্বস্ত বিমানটির পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ খুঁজে পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
তবে উদ্ধার অভিযানে মৃতদেহ উদ্ধারকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।
সামুদ্রিক স্রোতে লাশগুলো দূরে সরে গেছে এমন সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে উদ্ধার টিম সম্প্রতি তাদের তল্লাশি এলাকা সম্প্রসারিত করেছে।সূত্র: বিবিসি
গত ২৮ ডিসেম্বর ১৬২ যাত্রী নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার সুরাবায়া থেকে সিঙ্গাপুরগামী এয়ার এশিয়ার ফ্লাইটটি বিধ্বস্ত হয়। এখন পর্যন্ত বিমানে থাকা যাত্রীদের ৪০টিরও কম মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার প্রধান সাম্বাং সোয়েলিসটিয়ো মৃতদেহ খুঁজতে সাগরের তলদেশে ডুবুরি পাঠানোর কথা নিশ্চিত করেছেন।
উদ্ধারকারীরা এখনো বিমানটির ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার বা ‘ব্ল্যাক বক্স’ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়নি। তবে তারা সাগরের তলদেশে বিধ্বস্ত বিমানটির পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ খুঁজে পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
তবে উদ্ধার অভিযানে মৃতদেহ উদ্ধারকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।
সামুদ্রিক স্রোতে লাশগুলো দূরে সরে গেছে এমন সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে উদ্ধার টিম সম্প্রতি তাদের তল্লাশি এলাকা সম্প্রসারিত করেছে।সূত্র: বিবিসি
