আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত বলেছেন, অবরোধ বন্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন করতে হবে। শুক্রবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনষ্টিটিউশন মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু একাডেমীর উদ্যোগে আয়োজিত চলমান রাজনীতি বিষয়ক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সুরঞ্জিত বলেন, অবরোধ কোন গণতান্ত্রিক অধিকার নয়, অবরোধের নামে পেট্রোল দিয়ে মানুষ হত্যা কোনদিনও গণতান্ত্রিক দেশে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না, এটা জনবিরোধী এবং রাষ্ট্রকে অকার্যকর করার গভীর ষড়যন্ত্র। এই অবরোধ বন্ধে সরকারকে কঠোর আইন প্রণয়ন করে অবরোধকারী যেই হোক তাকে রাষ্ট্রের প্রচলিত আইনে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
তিনি বলেন, আপনাদের যে ৭ দফা দাবি তার মধ্যে যুক্তিসঙ্গত যে সব দাবি আছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা হতে পারে, আমি আগেও বলেছি। সেজন্য আপনাকে ধৈর্য্য ধরতে হবে, হরতাল-অবরোধের মতো গণবিধ্বংসী কর্মসূচি থেকে সরে এসে গণতান্ত্রিক পথে আলোচনা করে সমাধানের পথে যেতে হবে। অচিরেই অবরোধ দিয়ে দেশকে অকার্যকর বানানোর অরাজনৈতিক পন্থা পরিহার না করলে, বেগম জিয়া জনরোষ থেকে রেহাই পাবেন না।
বঙ্গবন্ধু একাডেমীর কেন্দ্রীয় নেতা ইমদাদুল হক সেলিমের সভাপতিত্বে এবং হুমায়ুন কবির মিজির পরিচালনায় আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো বক্তৃতা করেন এম এ জলিল, আব্দুল হাই কানু, নিপুন রায় নিপু প্রমুখ।
সুরঞ্জিত বলেন, ইজতেমা চলাকালীন অবরোধ কর্মসূচি নিয়ে বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটে দ্বিধা বিভক্তি রয়েছে।
