ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সোমবার বেলা ২টায় আওয়ামী লীগের জনসভা। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ জনসভায় প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। জনসভাকে সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। রাজধানীর প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ডের পাশাপাশি ঢাকার আশাপাশের জেলাগুলো থেকেও নেতাকর্মীরা এ জনসভায় অংশ নিবেন। বিএনপি অবরোধ-হরতালের মধ্যে দুই লক্ষাধিক লোকের জনসমাগম ঘটিতে রাজধানীতে বড় ধরনের শোডাউন দেখাতে চায় আওয়ামী লীগ। জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিবেন বলে জানা গেছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকা ছাড়াও আশপাশের জেলা থেকে কমপক্ষে দুই লাখ লোক-সমাগমের টার্গেট নেওয়া হয়েছে।
শনিবার আওয়ামী লীগের যৌথসভায় দলের সাধারণ সম্পদাক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জনসভায় ব্যাপক জনসমাগম ঘটাতে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের বিশেষভাবে নির্দেশ দেন। জনসভা সফল করতে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বর্ধিত সভা করেছে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ। দলের সব সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের পক্ষ থেকেও ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সাধারণত ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে সমাবেশ করা হলেও এবার বিশ্ব ইজতেমার কারণে তা পিছিয়ে সোমবার দিন রাখে আওয়ামী লীগ।
জনসভার জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের তৈরি করা হয়েছে বিশাল মঞ্চ। মঞ্চের সামনে বিশাল প্যান্ডেলও তৈরি করা হয়েছে। নেয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। দলের কেন্দ্রীয় নেতারা রবিবার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি কাজ পরিদর্শন করেন। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের এক বর্ধিত সভায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ জনসভায় সর্বোচ্চ জনসমাগম নিশ্চিত করতে নেতাকর্মীদের ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দেন।
প্রসঙ্গত, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের বর্ষপূর্তি ঘিরে ঢাকায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি সমাবেশের ঘোষণায় উত্তেজনার মধ্যে ৪ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যে নিষেধাজ্ঞা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) দিয়েছিল তা তুলে নেওয়ার কোনো খবর এখনো আসেনি। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অনুমতি নিয়েই জনসভা করা হবে।
