বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালকের বক্তব্যে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে স্থায়ী কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয় ‘বিজিবির মহাপরিচালক রাজনৈতিক আন্দোলনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গুলি চালাবার যে নির্দেশ দিয়েছেন আমরা তাতে গভীর উদ্বেগ এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এমন নির্দেশ সম্পূর্ণ এখতিয়ার বহির্ভূত ও আইনপরিপন্থী।’
এর আগে সকালে বিজিবির মহাপরিচালক আজিজ আহমেদ বলেন, ‘বিজিবি মানুষ হত্যা করতে চায় না। তবে আক্রান্ত হলে সে নিজের অস্ত্র ব্যবহার করতে পারবে, এটা তার অধিকার। মনে রাখতে হবে, বিজিবির হাতে থাকা সব অস্ত্রই প্রানণঘাতী।’
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান স্বাক্ষরিত স্থায়ী কমিটির ওই বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার চরম কর্তৃত্ববাদী শাসন চালু করেছে। তারা চলমান রাজনৈতিক সংকটের সমাধান তো দূরের কথা, এ সংকটকে স্বীকারই করছে না। রাজনৈতিক সংকট থেকে উদ্ভূত চলমান অচলাবস্থাকে ক্ষমতাসীনেরা আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হিসেবে প্রচার করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দিয়ে সবকিছু দমিয়ে রাখার চেষ্টা করছে।
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত রাষ্ট্রীয় বাহিনীর কিছু উত্সাহী কর্মকর্তা বেআইনি নির্দেশ ও রাজনৈতিক পক্ষপাতমূলক বক্তব্য প্রকাশ্যে দিতে শুরু করেছেন। এতে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটছে। রাষ্ট্রীয় বাহিনীসমূহকে আইনসম্মত নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। স্থায়ী কমিটির দাবি, অবরোধকালে নাশকতার ঘটনা সরকারই ‘সুপরিকল্পিতভাবে’ ঘটাচ্ছে। এর সঙ্গে আন্দোলনের কোনো সম্পর্ক নেই। এসবের দায় পুরোপুরিভাবে সরকারের ওপরই বর্তাবে।
