জাতিসংঘের আহ্বানে সহিংসতা ছাড়ুন: বিএনপিকে হানিফ

আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০১৫, ২০:৪৮
 
 
 
 
 
 
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বিএনপির উদ্দেশে বলেছেন, ‘জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সকল প্রকার সহিংসতার কর্মসূচি পরিহার করে জাতিকে মুক্তি দিন। তাহলে বাংলার মানুষ আপনাদের ক্ষমা করতে পারে।’ শনিবার বিকালে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর বাসা ও কার্যালয়ে ককটেল হামলার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, বিদেশিদের কাছে ধরনা দিয়ে কোনো লাভ হবে না। খালেদা জিয়ার কোনো বিদেশি প্রভু শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে না। জনগণ যত দিন চাইবে, তত দিন তিনি ক্ষমতাই থাকবে। এ সময়, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বহিস্কার করে দলকে সহিংস রাজনীতি থেকে বের করে নিয়ে আসার পরামর্শ দিয়ে হানিফ বলেন, অবরোধের নামে যত মানুষ হত্যা হয়েছে প্রত্যেকটির বিচার হবে। হত্যাকাণ্ডে যারা সরাসরি জড়িত তাদের বিচার তো হবেই। এ ছাড়া, হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা হিসেবে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদেরও বিচার করা হবে।
খালেদা জিয়ার উদ্দেশে হানিফ বলেন, টাকা দিয়ে গরিব মানুষদের ওপর আর বোমা নিক্ষেপ করতে পাঠাবেন না। জনতার হাতে ধরা পড়লে প্রাণ হুমকির মুখে পড়বে।
প্রধানমন্ত্রীর সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী বলেন, ক্ষমতার জন্য বিএনপিকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কারণ, শেখ হাসিনা দেশকে যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তাতে ২০১৯ সালের নির্বাচনে কি হবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, রাজপথে জাগ্রত থাকো, বিজয় তোমাদের হবেই। বিএনপি বোমাবাজি করে কিছুই করতে পারবে না।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাঈল চৌধুরী সম্রাট বলেন, ভবিষ্যতে যুবলীগ চেয়ারম্যানের বাসায় হামলা হলে দেশের যুব সমাজ বিক্ষোভের বদলে বিদ্রোহের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে সারা জীবনের জন্য অবরুদ্ধ করে রাখবে।
ইসমাঈল চৌধুরী সম্রাটের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ সেরনিয়াবাত, মুুজবুর রহমান চৌধুরী, ফারুক হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মহি প্রমুখ। সমাবেশকে কেন্দ্র করে বেলা ১১টা থেকে রাজধানীর বিভিন্ন থানা-ওয়ার্ড থেকে নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আসতে থাকেন। বিকাল ৩টার মধ্যে পুরো বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।