সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম নেতৃবৃন্দ বলেছেন, অবরোধ প্রত্যাহার না হলে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দেশব্যাপী ব্যাপক প্রতিরোধ কর্মসূচি গ্রহণ করবে।
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ’৭১ আয়োজিত মানববন্ধনে তারা একথা বলেন। ‘বিএনপি’র চলমান অবরোধ কর্মসূচির নামে মানুষ হত্যা’র প্রতিবাদে এ মানববন্ধন করা হয়।
সংগঠনের সহসভাপতি এবং মুক্তিযুদ্ধের ৮নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার লে. কর্নেল আবু ওসমান চৌধুরী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্দেশে বলেন, হরতাল- অবরোধের নামে পেট্রোল দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে হত্যার অপরাজনীতি বন্ধ করুন। যুদ্ধাপরাধী জামায়াতকে বাদ দিয়ে আলোচনার মানসিকতা নিয়ে আসুন, আমরা সরকারকে আলোচনায় বসার জন্য অনুরোধ জানাব।
যুদ্ধাপরাধ বিচার মঞ্চ, জঙ্গিবাদবিরোধী মঞ্চ, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ,সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ জনগণ সহিংসতা বিরোধী এই মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
এদিন মানববন্ধন শেষে সমাবেশ এবং সবশেষে জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পর্যন্ত পদযাত্রা কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সন্ত্রাসবিরোধী কর্মসূচি পালিত হয়।
জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন পেট্রোল দিয়ে মানুষ হত্যার নেপথ্য ক্রীড়ানক হিসেবে বেগম জিয়াকে অভিযুক্ত করে তার গ্রেফতার দাবি করেন।
অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তৃতা করেন-সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হারুন হাবিব, লে.জে. (অব:) হারুন-অর-রশীদ বীর প্রতীক,অ্যাডভোকেট রানাদাস গুপ্ত,কাজী মুকুল, লে.কর্ণেল (অব:) ডা. শামসুল আলম, সাংবাদিক শফিকুর রহমান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়ে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিপন্ন করার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই একাত্তরের পরাজিত শক্তির প্রত্যক্ষ মদদে বেগম জিয়া পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যার অপরাজনীতিতে লিপ্ত হয়েছেন। দেশের মুক্তিযোদ্ধা-জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই অশুভ শক্তির চক্রান্ত প্রতিরোধ করতে হবে।
