‘বীরাঙ্গনারা মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হবে’

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০১৫, ২১:৩৬
মুক্তিযুদ্ধের বীরাঙ্গনাদের তালিকা করে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হবে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এরকম একটি বেসরকারি সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সর্বস্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। জাতীয় সংসদের ইতিহাসে এই পর্যন্ত হাতেগোনা যে কয়েকটি বেসরকারি সিদ্ধান্ত প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে, এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো আজকের প্রস্তাবটিও।
‘সংসদের অভিমত এই যে, অবিলম্বে মুক্তিযোদ্ধাদের বীরাঙ্গনাদের একটি তালিকা করিয়া মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হউক’- শিরোনামে এই বেসরকারি সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম।
আরও কয়েকজন সংসদ সদস্যও এই প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্য রাখেন। পরে এর ওপর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত নারীদের বীরঙ্গণা বলে সন্মানিত করে গেছেন। জাতির পিতার দেওয়া সেই নামটিই যথার্থ বলে আমি মনে করি। এটা পরিবর্তন করা সমিচীন হবে না। মূল প্রস্তাবটি গ্রহণ করে বীরাঙ্গনাদের নাম মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অন্তর্ভূক্তির  পাশাপাশি তাদের অবদান পাঠ্যপুস্তকেও অন্তর্ভূক্তির জন্য তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানান। 
বীরঙ্গণাদের ভাতা ১০ হাজার টাকা করার বিষয়েও সংসদে আলোচনা হয়েছে। তাদের বিষয়ে মন্ত্রী মোজাম্মেল হক আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় দু’ধরনের নারী অংশ নিয়েছিলেন। এক ধরনের নারী আছেন যারা স্বেচ্ছায় পাক সেনাবাহিনীদের কাছে নিরাপদ আশ্রয়ে থেকে আনন্দফূর্তি করেছেন, তারা বীরঙ্গনা নন। তারা এর কাছাকাছি একটি। আর যারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাদের বীরঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার সব ব্যবস্থা করা হচ্ছে।