পোশাক কারখানায় পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ‘তৈরি পোশাক শিল্পে কাজের পরিবেশ উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রোগ্রামের আওতায় এ প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ), বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) সহায়তা করছে। শনিবার রাজধানীর বিইএফের কার্যালয়ে প্রশিক্ষণের প্রথম ধাপের প্রশিক্ষণার্থীদের (মাস্টার ট্রেইনার) এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় আইএলওর আন্তর্জাতিক ট্রেনিং সেন্টারের প্রতিনিধি পাউলো সলাভাই বলেন, মাস্টার ট্রেইনারদের আমরা প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। আর তারা প্রশিক্ষণ দেবে কারখানার সুপারভাইজরদের। ৪০০ সেশনে ২০ জন করে প্রায় আট হাজার সুপারভাইজরকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। আর তারা প্রশিক্ষণ দেবেন কারখানার শ্রমিকদের। এভাবে এ খাতের সবাইকে প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা হবে। সভায় বিকেএমইএদের সহসভাপতি মনসুর আহমেদ বলেছেন, কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মালিকপক্ষ ইতিবাচকভাবে ভূমিকা রাখছেন। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনায়ও তারা সহযোগিতা করবেন। মাস্টার ট্রেইনারদের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যত দিন পর্যন্ত পোশাক খাত থাকবে, তত দিন পর্যন্ত মাস্টার ট্রেইনারদের অবদান স্মরণ রাখা হবে। আইএলও ঢাকা অফিসের আরএমজি প্রজেক্টের চিফ টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার তোমো পোইসিনেন বলেছেন, কারখানার নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশের উন্নতি হচ্ছে। আরো উন্নতি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ দিকে, নিরাপত্তা কর্মসূচি জোরদার করার পাশাপাশি ক্রেতাদের এ সংক্রান্ত উন্নতির সিগন্যাল দিতে হবে। অনুষ্ঠানে বিইএফের সেক্রেটারি ফারুক আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
