২২ হাজার বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম

আপডেট : ৩১ জানুয়ারি ২০১৫, ১৯:০৭
দেশে এ পর্যন্ত ২০ হাজার ৫০০ মাধ্যমিক এবং ১ হাজার ৫১৫ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে ৪২ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে।
শনিবার ঢাকায় সেভ দ্য চিলড্রেনের এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এসব ক্লাসরুমে ল্যাপটপ, প্রজেক্টর ও ইন্টারনেট মডেমসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে এবং শ্রেণিকক্ষে শিক্ষণ পদ্ধতি উন্নয়নের জন্য শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।
‘ম্যাপিং আইসিটি ইন এডুকেশন ইনিশিয়েটিভস ইন বাংলাদেশ' শীর্ষক প্রতিবেদনে শিক্ষায় সরকার, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিও এবং ব্যক্তিখাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্যপ্রযুক্তি-উদ্যোগ তুলে ধরা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকার থাকলেও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলের আন্তরিকতার অভাবে কাঙ্খিত ফল এখনো পাওয়া যাচ্ছে না।
সেভ দ্য চিলড্রেনের গবেষণায় দেখা যায়, ইলেক্ট্রনিক কন্টেন্ট তৈরি, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, ইলেক্ট্রনিক কন্টেন্ট শেয়ারিংয়ের জন্য ওয়েব পোর্টাল তৈরি, শিক্ষকদের মধ্যে নেটওয়ার্ক স্থাপন এবং সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য স্থাপিত কমিউনিটি শিক্ষাকেন্দ্রে সীমিত পরিসরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহূত হচ্ছে। তবে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন, ই-লার্নিং এবং কর্মসূচি তদারক ও মূল্যায়ন সহায়তায় তথ্যপ্রযুক্তি বিস্তৃতভাবে ব্যবহূত হচ্ছে না।
অন্যান্যের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ফাইজুল কবীর, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রামের পলিসি অ্যাডভাইজার আনির চৌধুরী, সেভ দ্য চিলড্রেনের পরিচালক (কর্মসূচি উন্নয়ন ও মান) শ্যারন হাউসার এবং শিক্ষাবিষয়ক উর্ধ্বতন উপদেষ্টা এম হাবিবুর রহমান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
এছাড়া এনজিও ও ব্যক্তিখাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে। সেভ দ্য চিলড্রেন জানিয়েছে, দেশের শিক্ষাখাতে প্রযুক্তির ব্যবহার বিষয়ে কৌশলগত দিকনির্দেশনা নির্ধারণের লক্ষে শিক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার জানতে এবং বিশ্লেষণে সহায়তা করবে এ গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তথ্য।