আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, এসএসসি পরীক্ষার সময় হরতাল ডেকে বেগম জিয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। জনগণ আশা করেছিল পরীক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে খালেদা জিয়া অবরোধ-হরতাল প্রত্যাহার করবেন। কিন্তু তিনি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন নষ্ট করছেন।
রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত
হরতাল বিরোধী এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসএসসি পরীক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে তাদের সার্বিক সহযোগিতার জন্য ড. হাছান মাহমুদ এ সময় আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীসহ স্বাধীনতার স্বপক্ষের সকল শক্তিকে আহ্বান জানান।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, কোকোর মৃত্যুর পরে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল বেগম জিয়া নাকি পুত্রশোকে মুহ্যমান। জনগণও আশা করেছিলো কোকোর মৃত্যুর পরে পেট্রোলবোমায় নিহত-আহতদের মায়ের আর্তনাদ বেগম জিয়া উপলব্ধি করে তার মানুষ হত্যার রাজনীতি থেকে সরে আসবেন। কিন্তু তার মধ্যে কোন পুত্রশোক নেই বরং আছে মানুষ হত্যা করে ক্ষমতায় যাওয়ার লোভ।
তিনি আরো বলেন, বেগম জিয়াকে গ্রেফতার এখন জনগণের গণদাবিতে
পরিণত হয়েছে। বেগম জিয়া ও বিএনপির আহূত হরতাল-অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত বেগম জিয়ার বাসায় সব ধরণের ইউটিলিটি সুবিধা বন্ধ রাখা এখন জনগণের প্রত্যাশা এই মন্তব্য করে হাছান মাহমুদ
বলেন, জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে আন্দোলনের নামে মানুষ হত্যার রাজনীতি থেকে সরে না আসা পর্যন্ত বেগম জিয়ার সব ধরণের নাগরিক সুযোগ সুবিধা বন্ধ রাখলে তিনি বুঝতে পারতেন অবরোধ-হরতালে মানুষের কি ধরণের অসুবিধা হয়। যে জনগণের ট্যাক্সের টাকায় তার( খালেদা) বাসায় এসব সুবিধা দেয়া হয় সে জনগণের উপরেই তিনি পেট্রোলবোমা হামলা করছেন। তাই বেগম জিয়ার সবধরণের নাগরিক সুবিধা বন্ধ করে দেয়া এখন জনগণের দাবি।
স্বাধীনতা পরিষদের উপদেষ্টা হাসিবুর রহমান মানিকের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক, এম এ করিম, ব্যারিস্টার জাকির, জিন্নাত আলী জিন্নাহ, অরুণ
সরকার রানা প্রমুখ।
