আনন্দ শিপইয়ার্ডের প্রায় এক হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির ঘটনা অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ওয়ান ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (ডিএমডি) পাঁচজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার সেগুনবাগিচায় সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তারা হলেন-ব্যাংকটির ডিএমডি জোহরা বিবি, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রোজিনা আলিয়া আহমেদ, মো. আফতাব উদ্দিন খান, মো. আবু সালেহ ও জামিল হোসেন।
দুদক কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত দুদকের উপপরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে একটি দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
এর আগে গত ২৬ জানুয়ারি তাদের তলব করে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর নোটিশ পাঠানো হয়। একই বিষয়ে অনুসন্ধানে মঙ্গলবার আরো ছয়জন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তারা হলেন- সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আসিফ মাহমুদ খান, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মাহবুব হাসান, প্রিন্সিপাল অফিসার মো. আনিসুজ্জামান ও খালেদ আল ফেসানী, মতিঝিল শাখার ইনচার্জ মুজতাবা এম কাজমী ও অফিসার আবু সাহাদাত মো. সাহেদকে।
দুদক সূত্র জানায়, জাহাজ রফতানির নামে ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে আনন্দ শিপইয়ার্ড ওয়ান ব্যাংকসহ দেশের ১২টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় এক হাজার ৩০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। জাহাজ নির্মাণের পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও পর্যাপ্ত জামানত ছাড়া এ ঋণ দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শনে এসব জালিয়াতির তথ্য বেরিয়ে আসে।
