বাংলাদেশে নবনিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত মা মিংকিয়াং রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।
সোমবার পরিচয়পত্র পেশকালে নতুন রাষ্ট্রদূতকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চীনের ধারাবাহিক সহযোগিতা ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তার জন্য রাষ্ট্রপতি ধন্যবাদ জানান। একইসঙ্গে বাংলাদেশ থেকে পাট ও পাটজাত পণ্য আমদানিতে চীনা সরকারের আশ্বাসের কথা উল্লেখ করে দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর আহবান জানান তিনি।
এ সময় চীনা রাষ্ট্রদূত জানান, আগামী দিনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
এদিকে, বাংলাদেশে নবনিযুক্ত কানাডার হাই কমিশনার বেনায়ু-পিয়ের ল্যারামিও রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেছেন। পরিচয়পত্র পেশকালে নতুন হাইকমিশনার বলেন, সুশাসন, শান্তি, স্থিতিশীলতা, গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের প্রতি সম্মান আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে একটি মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত করার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। দুই দেশের সমৃদ্ধির জন্য কানাডা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাবে। সোমবার ঢাকাস্থ কানাডীয় হাই কমিশনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
নতুন হাইকমিশনার বলেন, কানাডার উন্নয়ন অংশীদারিত্ব খুবই দৃঢ়। ১৯৭২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশকে প্রায় চার বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার সহায়তা দেয়া হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের অনেক রপ্তানি পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা দিচ্ছে কানাডা।
