বিএনপি চেয়াপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের কার্যালয়ে সোমবার সকাল থেকে নেতা-কর্মীসহ অন্যদের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করেছে পুলিশ। বাড়ানো হয়েছে পুলিশের নিরাপত্তা বেস্টনি। কার্যালয়ের সামনে গণমাধ্যম কর্মীদেরও ভিড়তে দেয়া হচ্ছে না।
চেয়াপারসনের প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তারা সোমবার অভিযোগ করেছেন, রবিবার রাত পর্যন্ত পুলিশ শান্ত ছিল। কিন্তু সকাল থেকে কাউকে কার্যালয়ে প্রবেশ ও বের হতে দেয়া হচ্ছে না। যারা প্রবেশ করছেন তাদের আটক করা হচ্ছে। সোমবার মাজহারুল ইসলাম নামে একজন ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।
তবে সেখানে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তারা বলেছেন, খালেদা জিয়ার পরিবারের লোকজন ছাড়া অন্যদের কার্যালয়ে প্রবেশে ওপরের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বাইরের কেউ আসলে তাকে আটকের নির্দেশনা রয়েছে। এতোদিন কার্যালয়ের ভেতরে আত্মীয় স্বজনদের পাশাপাশি বিভিন্ন পেশাজীবী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের কার্যালয়ে প্রবেশের সুযোগ ছিল।
রবিবার রাতে সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বিচারপতি আবদুর রউফসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক, সাংবাদিক নেতা খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাত করলেও পুলিশ কাউকে বাধা দেয়নি। আটকও করেননি। তবে রবিবার রাতে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী দেখা করে বের হওয়ার পর গোয়েন্দা পুলিশ আটক করে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে।
বর্তমানে এই কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দলের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, তার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল, প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার ও শায়রুল কবির খানসহ কার্যালয়ের কর্মকর্তারা ও কর্মচারীরা আছেন। এছাড়াও পালাবদল করে দায়িত্ব পালন করছেন তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মীরা। এছাড়া ছোট ছেলে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী ও দুই মেয়ে দিনের অধিকাংশ সময় খালেদা জিয়ার কাছে থাকছেন।
