অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, খালেদা জিয়া দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করেছেন। এভাবে দেশের ভবিষ্যত্ এগোতে পারে না। তিনি এখন একজন জনবিরোধী। গত নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পর ২০১৪ সালে দেশ বেশ স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া এসব পছন্দ করছেন না। তিনি দেশকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছেন। ‘স্টুপিড লিডার’ হিসেবে তার কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ রাষ্ট্রবিরোধী। গতকাল বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১২তম ঢাকা আন্তর্জাতিক টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস মেশিন প্রদর্শনীর উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি আরো বলেন, দেশে এখন যা হচ্ছে সেটি সন্ত্রাস। অধিকাংশ মানুষই এটি পছন্দ করেন না। হরতাল-অবরোধ দিয়ে কখনও রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যায় না। দেশের অর্থনীতিকে ক্ষতি করে এমন কার্যক্রম চালানো উচিত নয়। শিগগিরই সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি তপন চৌধুরীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী এমাজ উদ্দিন প্রামাণিক, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট কাজী আকরাম উদ্দিন আহ্?মদ, বিজিএমইএর সভাপতি আতিকুল ইসলাম, বিকেএমইএর সহসভাপতি আসলাম সানি প্রমুখ। বিটিএমএর সঙ্গে তাইওয়ানের চ্যান চাও ইন্টারন্যাশনাল ও হংকংয়ের ইয়োকার্স ট্রেড অ্যান্ড মার্কেটিং সার্ভিস কোম্পানি যৌথভাবে চার দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর আয়োজন করছে।
অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। বিএনপি দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। অর্থনীতি ধ্বংসকারী এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান জানান তিনি।
এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, দেশের তথাকথিত রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে ব্যবসায়ীদের পিঠে দেয়াল ঠেকে গেছে। এই পরিস্থিতি আর চলতে দেয়া ঠিক নয়।
বিজিএমইএর সভাপতি আতিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতকে এগিয়ে নিতে দক্ষ শ্রমশক্তি, বন্দর, বিদ্যুত্, পর্যাপ্ত জায়গা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন।
তপন চৌধুরী বলেন, গত ১১ বছর ধরে আমরা এ প্রদর্শনীর আয়োজন করে আসছি। আমরা মনে করি আগামী ২০২১ সালের মধ্যে টেক্সটাইল ও ক্লথিং থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় অর্জন সম্ভব।