আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল গুগল পথচিত্র

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ১৯:৪৫
দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন গুগলের বিশেষ সেবা গুগল পথচিত্র (গুগল স্ট্রিটভিউ)। এর মাধ্যমে গুগল মানচিত্রে বাংলাদেশের সড়ক, মহাসড়ক, অলিগলি এমনকি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো দেখা এবং পথনির্দেশ পেতে পারবেন আগ্রহীরা। ইতিমধ্যে রাজধানী ঢাকা, বন্দরনগর চট্টগ্রামের রাস্তাসমূহ এবং জাতীয় সংসদ ভবন ও দিনাজপুরের কান্তজীর মন্দিরসহ ৪২টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা-জায়গার চিত্র পথচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে দেশের সকল জেলায় এ সেবা চালু করা হবে। বিশ্বের যেকোন স্থান থেকে ইন্টারনেট সংযুক্ত যন্ত্রের মাধ্যমে গুগল পথচিত্র দেখা যাবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে গুগল পথচিত্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
সরকারের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এ-টু-আই) কর্মসূচিসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এ পথচিত্র তৈরি করেছে গুগল।
অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে নি:শব্দ বিপ্লব হয়ে যাচ্ছে। প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিপ্লবের স্থপতি। তিনি এক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আর প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বিপ্লবের ভ্যানগার্ড হিসেবে শক্তি জুগিয়ে যাচ্ছেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশে ৬৫তম দেশ হিসেবে স্ট্রিট ভিউ বা পথচিত্রের যাত্রা দেশের অনেক সম্ভাবনায় খাতের জন্য ইতিবাচক সুবিধা বয়ে আনবে। পর্যটন ব্যবসা থেকে শুরু করে খুচরা ব্যবসা পর্যন্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের জন্য সুবিধা নিয়ে আসবে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব জনাব খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, গুগলের এই সুবিধা চালুর ফলে সারা বিশ্বের মানুষের জন্য ডিজিটাল উপায়ে বাংলাদেশের রাজধানীর কোনো সেতু থেকে শুরু করে বন্দরনগর চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকার পথচিত্র বা রাস্তার মানচিত্র ৩৬০ ডিগ্রি কোণ থেকে জেনে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। সেই সুবাদে তারা বাংলাদেশ সম্পর্কে জানতে পারবেন।
এটুআই কর্মসূচির পরিচালক কবীর বিন আনোয়ার বলেন, এই সুবিধা চালুর ফলে যে কেউই গুগল ম্যাপ দেখে নিজ শহরের রাস্তাঘাট সম্পর্কে আরও নিবিড়ভাবে জানতে পারবেন। বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরাও তাঁদের ওয়েব সাইটগুলোতে গুগল ম্যাপের লিংক যুক্ত করে ব্যবসায়িকভাবে উপকৃত হতে পারেন।
অনুষ্ঠানে মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউএসএআইডিবাংলাদেশ মিশনের পরিচালক জানিনা জারুজেলস্কি, এটুআই’র পলিসি উপদেষ্টা অনির চৌধুরী।