বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেনস ব্লুম বার্নিকাট বলেছেন যে, তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সত্যিকারের অংশীদারিত্ব-মূলক সম্পর্ক আরো এগিয়ে নিয়ে যাবেন। দু’দেশের মধ্যে চমত্কার সম্পর্ক রয়েছে। এ সম্পর্ক আরো গভীর ও বিস্তৃত করতে রাষ্ট্রদূত বার্নিকাট ও তার টিম আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবেন। বুধবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয়পত্র পেশের পর গতকাল বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যান তিনি। পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে বৈঠক করেন। তারা উভয়ে পরিচিত হন এবং দ্বিপাক্ষিক ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন দূতাবাসের ডেপুটি চীফ অব মিশন ডেভিড মিলি, পলিটিক্যাল কাউন্সিলর পুষ্পিন্দর ধিলনসহ কয়েকজন কূটনীতিক। পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে বৈঠকশেষে রাষ্ট্রদূত বার্নিকাট সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণসহ অনেক ক্ষেত্রে চমত্কার সম্পর্ক রয়েছে। এ সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাব। এজন্য আমি সরাসরি দায়িত্ব নিয়ে এসেছি। পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে এসব ইস্যু নিয়ে ব্যতিক্রমী ও উষ্ণতাপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকও এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের বলেন, নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সব ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সম্পর্ক আরো গভীর ও বিস্তৃত করতে বর্তমান সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবেন নতুন রাষ্ট্রদূত।
রাষ্ট্রদূত বার্নিকাট আগামী সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত্ করবেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবে বলে জানা গেছে।
