নাশকতা প্রতিরোধে প্রতিটি বাস-ট্রাকে লাঠি, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ও পানির ড্রাম রাখার পরামর্শ দিয়েছে পরিবহন মালিক সমিতি। একইভাবে পরামর্শ দেয়া হয়েছে নৈশ কোচের জানালায় মোটাপর্দা লাগানো ও চলাচলের সময় জালনা বন্ধ রাখার। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির পক্ষ থেকে শুক্রবার দেশের সব পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনকে এ পরামর্শ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে—নাশকতা রোধে শনিবার বিকালে রাজারবাগ টেলিকম অডিটোরিয়ামে শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমিতির নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন বিলাস বহুল বাসের মালিকরা। বৈঠকে সভাপত্বি করবেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ।
বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রোস্তম আলী খান বলেন, ‘হরতাল-অবরোধে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা দিশাহারা। এরই মধ্যে গত এক মাসের অবরোধে সাত শতাধিক যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। ভাংচুর করা হয়েছে পাঁচ শতাধিক যানবাহন। পেট্রোল বোমায় নিহত হয়েছে ১৮ জন পরিবহন শ্রমিক, আহত হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ বার্ন ইউনিটে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন ২৫ জন শ্রমিক। কিন্তু এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতেই বেশ কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
বৈঠক সম্পর্কে তিনি বলেন, যতই বাধা আসুক আমরা গাড়ি চাকা সচল রাখতে চাই। এ জন্য নিরাপত্তা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপত্তা, নাশকতা প্রতিরোধ ও পরিবহনের সার্বিক বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে বলে তিনি জানান।
