গাইবান্ধায় বাসে পেট্রোল বোমায় নিহত ৫, দগ্ধ ৩০

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ১৫:৪৪

গাইবান্ধায় একটি যাত্রীবাহী বাসে পেট্রোল বোমা হামলায় নারী ও শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন আরো কমপক্ষে ৩০ জন। পুলিশ পাহারার মধ্যেই শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়কের গাইবান্ধা সদর উপজেলার তুলসীঘাট পল্লী বিদ্যুত অফিসের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ কালির খামার গ্রামের খয়বর হোসেনের ছেলে সৈয়দ আলী (৪২), একই উপজেলার কঞ্চিবাড়ী মধ্যপাড়া খামার গ্রামের বলরাম দাসের মেয়ে শিল্পি রাণী (১০), চন্ডিপুর গ্রামের শাহজাহান আলীর ছেলে সুমন (২২), পশ্চিম সীচা গ্রামের সাঈদ মিয়ার স্ত্রী হালিমা বেগম (৪০) ও চন্ডিপুর গ্রামের তারা মিয়া মিয়ার ছেলে সুজন (১১)।
সদর থানার ওসি রাজিউর রহমান জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সীচা থেকে ৪০/৫০ জন যাত্রী নিয়ে 'নাপু পরিবহনের' একটি বাস ঢাকার পথে রওনা হয়। পথে গাইবান্ধা সদর কেন্দ্রীয় বাস ট্রামিনালে আসার পর সেখান থেকে পুলিশ পাহাড়ায় আরো বেশ কিছু যানবাহনের সাথে একযোগে পুনরায় ঢাকার পথে রওনা দেয়। রাত ১১ টার দিকে বাসটি সদর উপজেলার তুলসীঘাট পল্লী বিদ্যুত অফিসের সামনে পৌঁছুলে দুর্বৃত্তরা পেট্রোল বোমা ছুড়ে মারে। এতে দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যান। গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতালে মারা যান আরো একজন। ঐ রাতেই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুজন (১১) নামে এক শিশু মারা যায়।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ও প্লাষ্টিক সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মারুফুল ইসলাম জানান, দগ্ধদের মধ্যে ভোর রাত পর্যন্ত দফায় দফায় সর্বমোট রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৯ জনকে ভর্তি করা হয়।

গাইবান্ধা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোশাররফ হোসেন জানান, নাশকতাকারীদের ধরতে অভিযান শুরু হয়েছে।