নিষেধাজ্ঞা থেকে সোহাগের মুক্তি

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ০১:৫১

কয়েক মাস আগে এই খবরটা এলে এখন হয়তো বিশ্বকাপ দলের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় থাকতেন। কিন্তু বিশ্বরেকর্ডধারী বাংলাদেশি স্পিনিং অলরাউন্ডার সোহাগ গাজীকে ভুগতে হচ্ছিল বোলিং অ্যাকশনজনিত কারণের নিষেধাজ্ঞায়। অবশেষে দেরীতে হলেও সুখবরটা পেয়ে গেলেন তিনি। পুনরায় পরীক্ষা দেয়ার পর সব ধরনের ক্রিকেটের জন্য তার বোলিং অ্যাকশনকে বৈধ বলে ঘোষণা করেছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।

গত আগস্টে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গ্রেনাডাতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে প্রথম ম্যাচে পর সোহাগ গাজীর বোলিং অ্যাকশনকে সন্দেহজনক বলে রিপোর্ট করেন কর্মকর্তারা। এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাকশন পরীক্ষা দিলেও সেই দফায় আইসিসি তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। পরে টানা কয়েক মাস ধরে অ্যাকশন শোধরানোর কাজ শেষ করে আইসিসির  কাছে পুনরায় পরীক্ষার জন্য আবেদন করেন সোহাগ। গত ২৪ জানুয়ারি চেন্নাইয়ের রামাচন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়ো-মেকানিক্যাল ল্যাবে সোহাগের দ্বিতীয় দফা বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা করা হয়। উল্লেখ্য, এই দফা পরীক্ষায় অবৈধ প্রমাণিত হলে কোনো নোটিস ছাড়া এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়ে যেতেন এই অফস্পিনার।
কিন্তু গতকাল প্রকাশিত আইসিসির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, একই দিনে পরীক্ষা দেয়া বিশ্বসেরা অফস্পিনার সাঈদ আজমল ও বাংলাদেশের বিশ্বরেকর্ড গড়া অলরাউন্ডার সোহাগের বোলিং অ্যাকশন এখন বৈধ।

সোহাগ এই খবর জানার পর নিজেকে ভারমুক্ত বলে খুবই উচ্ছ্বসিত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এই ফলাফল পক্ষে না আসলে ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকায় তিনি বলেছেন, ‘আমার বুকের থেকে পাচশ’ কেজি ওজনের ভার নেমে গেছে। আমি এবং পরিবারের সবাই খুব দুশ্চিন্তায় ছিলাম। আমাকে এই সময়ে যারা সমর্থন দিয়েছেন, যারা সহযোগিতা করেছেন, সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।’