চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্য সুশীল সমাজকে ইন্ধনদাতা হিসেবে অভিহিত করে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, ‘যারা সেমিনার ও টকশোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে উপদেশ দিচ্ছেন, তাদের মতো পরগাছাকে উপড়ে ফেলতে হবে।’ এ সময় যারা হরতালের নামে নাশকতা করছে, তাদের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলারও আহ্বান জানান খাদ্যমন্ত্রী ।
রবিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে ‘বোমা মেরে মানুষ হত্যা, দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার প্রতিহিংসার রাজনীতি’ বন্ধের দাবিতে আয়োজিত এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সুশীল সমাজের লোকেরা শুধু উপদেশ দিয়ে থাকেন। এরা সমাজের জন্য ক্যান্সার। এ পরগাছা সুশীল সমাজ নামক ক্যান্সার সমাজকে উপড়ে ফেলতে হবে।’
কামরুল ইসলাম বলেন, ‘যারা পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করে তারা সন্ত্রাসী, তারা মানুষ নয়। এই সব সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোনো সংলাপ নয়, এদের সঙ্গে আলোচনার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। এই সুশীল সমাজের লোকেরা আহত ব্যক্তিদের কোনো সাহায্য-সহযোগিতা করতে পারেন না। পারেন শুধু ইন্ধন দিতে। এরা মাঝপথ দিয়ে হাঁটেন। আর সভা-সেমিনার করে উপদেশ দিয়ে বেড়ান। এদের ইন্ধনেই গাড়িতে বোমা হামলা হচ্ছে।’
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘যারা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অবস্থান না নিয়ে সংলাপের কথা বলছেন, তারা ১/১১-এর কুশীলব। এদের সমাজ থেকে উত্পাটন করতে হবে। সংলাপ করতে চাইলে আগে মানুষ হত্যা, বোমা হামলা বন্ধ করতে হবে।
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানার সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন মহিলা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, আওয়ামী লীগের উপকমিটির সহসম্পাদক এম এ করিম, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার প্রমুখ।
