ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল বিজেপি রবিবার জোরালো কণ্ঠে গত বছর ক্ষমতায় আসার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী দিল্লী বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবারের মতো পরাজয়ের সম্মুখীন হতে যাচ্ছেন এমন দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন।
যদিও বুথ ফেরত জরিপে আভাস দেয়া হয়েছে যে, দুর্নীতি বিরোধী প্রচারণার পুরোধা অরবিন্দ কেজরিওয়ালই দিল্লী বিধানসভা নির্বাচনে বিজয় লাভ করতে যাচ্ছেন।
শনিবার ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার চার ঘন্টা পর প্রকাশিত ছয়টি বুথ ফেরত জরিপে আভাস দেয়া হয়, দিল্লীর সাবেক প্রধানমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টিই হিন্দু জাতীয়তাবাদী ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)কে বেশ বড় ব্যবধানে হারাতে যাচ্ছে।
দিল্লী বিজেপি’র সাধারণ সম্পাদক রমেশ বিধুরী এএফপিকে বলেন, নির্বাচনের ফল বুথ ফেরত জরিপের ভবিষ্যদ্বাণীকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করবে। কারণ বিজেপি বিজয়ী হিসেবে আবির্ভূত হবে এবং নিশ্চিতভাবেই দিল্লীতে সরকার গঠন করবে।
তিনি আরো বলেন, (তবে) বিজেপি যদি হেরেও যায়, (তা থেকে) আমরা বলতে পারি না যে, মোদির জনপ্রিয়তা হ্রাস পেয়েছে এবং মোদি ঝড় শেষ হয়ে গেছে।
এছাড়া প্রচারণার শেষ দিনগুলোতে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলিসহ বিজেপির হেভিওয়েটদের মাঠে নামানো হয়।
এদিকে আম আদমি পার্টির সিনিয়র নেতা যোগেন্দ্র যাদব বলেন, শনিবার রেকর্ড সংখ্যক ভোটারের ভোট দেয়ার পর তার দল ৭০ আসন বিশিষ্ট বিধানসভার ৫০টিরও বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে এক সংখ্যাগরিষ্ঠার দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
শনিবার রাতে তিনি এনডিটিভিকে বলেন, ‘আমার নিজের অনুমান হচ্ছে, সংখ্যাটি (বুথ ফেরত জরিপের প্রায় ৪৩-এর) অনেক, অনেক বড় হবে।’
নির্বাচনী প্রচারণায় কেজরিওয়াল যেসব বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সেগুলো হলো-সুলভে বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং দিল্লীর এক কোটি ৭০ লাখ বাসিন্দার জন্য বিনা মূল্যে ওয়াই ফাই সুবিধা এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি।
কেজরিওয়াল গত এক বছর আগে সংক্ষিপ্ত মেয়াদে ক্ষমতায় থাকাকালে নিজেকে একজন ‘নৈরাজ্যবাদী’ ঘোষণা করেন এবং সরকারি দফতরের বাইরে রাজপথে বেশ কয়েকটি বিক্ষোভ অনুষ্ঠান করেন। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভি।
