শিক্ষক-প্রকৌশলীসহ ২৬ জাল মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ১৮:২৩
শিক্ষক-প্রকৌশলীসহ ২৬ সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী মুক্তিযোদ্ধার সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় তা বাতিল করা হয়েছে। গত ২০ জানুয়ারি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এসব সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে। এর আগে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের ১ জানুয়ারির সভায় ৩০ জনের সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়। তবে মন্ত্রণালয় সোমবার ২৬ জনের সনদ বাতিলের গেজেট প্রকাশ করেছে।
জাল সনদধারীদের মধ্যে ব্যাংকের কর্মকর্তা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, কিছু সরকারি-বেসরকারি স্কুল শিক্ষক, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, কাস্টমস কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপ-পরিচালকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন।
যাদের সনদ ও মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. ইব্রাহীম মিয়া, নেত্রকোণার পূর্বধলা দেবহাটা রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজ আলী, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের নওগাঁ বোয়ালিয়া শাখার এফএএলডিএ মো. খালেদুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গার সহকারী শিক্ষক মো. ইদ্রিস আলী, ঢাকার কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাটের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আব্দুস সামাদ, পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগের যুগ্ম-প্রধান শামীমা আখতার, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডিইও মো. এনামুল হক, কিশোরগঞ্জ ভৈরবের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন, বান্দরবান জেলা সমাজসেবা অফিসের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. মাসুদ আহমেদ, যশোর চৌগাছার ইন্দ্রপুরের মো. মজহারুল হক, ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার কসবার সৈয়দাবাদের মো. কামরুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া নবীনগর কালঘড়ার মো. কাঞ্চন মিয়া, মানিকগঞ্জ সিঙ্গাইর চর আটিপাড়ার মো. শাহজাহান আলম আবদুর রহমান,
চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. রহমত আলী বিশ্বাস, জনতা ব্যাংক লিমিটেডের সাপোর্ট স্টাফ (ক্যাটাগরি-২) মো. হাসমতুল্যাহ, নওগাঁর ধামইরহাটের চকযাদুর মো. নুরুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম উলিপুরের মো. সাইফুর ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ সওজের সড়ক উপবিভাগ-১ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (চ.দা.) দিলীপ কুমার দাস, সাধারণ প্রশাসন শাখার সহকারী মো. এনামুল হক খান, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের এমএলএসএস মো. আবদুল হান্নান শেখ, পাউবোর শাহাবাজপুর গ্যাস ফিল্ড রক্ষা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল মতিন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সার্কেল-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী (নকশা) এ কে এম নুরুল ইসলাম, ঝিনাইদহের শৈলকূপার জালশুকা রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আ. বারী খান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপ-পরিচালক (সিডিসি) ডা. মো. ফজলুর রহমান, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ সহযোগী অধ্যাপক (গণিত) মো. কামাল উদ্দিন ও সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার ইফতেখার উদ্দিন। এদের অধিকাংশই অবসর উত্তর ছুটিতে আছেন।