গ্রামীণফোন লিমিটেড ২০১৪ সালে ১০ হাজার ২৭০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে। নতুন ৪৪ লাখ গ্রাহক যোগ হয়ে মোট গ্রাহক এখন ৫ কোটি ৫০ লাখ। কোম্পানির মার্কেট শেয়ার ১.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪২.৮ শতাংশ হয়েছে।
২০১৪ সালের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে সোমবার সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এসব বিষয় তুলে ধরেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাজিব শেঠি।
তিনি বলেন, ট্যাকস দেয়ার পর কোম্পানির নিট মুনাফা ১৯.৩ শতাংশ মার্জিনসহ ১৯৮০ কোটি টাকা এবং ইপিএস ১৪.৬৭ টাকা। থ্রিজি নেটওয়ার্ক স্থাপনে এবং টু-জি নেটওয়ার্কের ধারণক্ষমতা ও সক্ষমতা উন্নয়নে বিনিয়োগ ১ হাজার ৫২০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধনের ৬৫ শতাংশ চূড়ান্ত মূনাফা ঘোষণা করেছে কোম্পানি।
রাজিব শেঠি আরো বলেন, ২০১৩ সালে ৫ কোটি গ্রাহক এবং ১০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের ঐতিহাসিক মাইল ফলক অতিক্রম করেছে গ্রামীণফোন। ২০১৪ সালে দেশের শীর্ষ মোবাইল অপারেটর হিসেবে আমাদের অবস্থান আরও দৃঢ় হয়েছে এবং আমরা ২০১৫-তে আরো ভালো করার লক্ষ্য স্থির করেছি।
গ্রামীণফোন ২০১৪ সালে ১০ হাজার ২৭০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ৬.৩ শতাংশ বেশি। পূর্বের বছরের তুলনায় সেবা থেকে অর্জিত রাজস্ব বেড়েছে ৫.৯ শতাংশ এবং গ্রাহকদের ব্যবহার্য ডিভাইস এবং অন্যান্য রাজস্ব বেড়েছে ১৪.১ শতাংশ। সেবা থেকে রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধি প্রধানত ডাটা ও মূল্য সংযোজিত সেবা থেকে এসেছে। তবে আন্তর্জাতিক কল টার্মিনেশন রেট কমে যাওয়ায় রাজস্ব আয় কিছুটা বাধার সম্মুখীন হয়।
রাজিব শেঠি আরও বলেন, গত বছর গ্রামীণফোনে নতুন গ্রাহক যোগ হয়েছে ৪৪ লাখ। যার ফলে বছর শেষে গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৫০ লাখে। জাতীয় গ্রাহক প্রবৃদ্ধি ৫.৮ শতাংশ হলেও গ্রামীণফোনের প্রবৃদ্ধি ছিল ৯.৩ শতাংশ। ফলে কোম্পানির মার্কেট শেয়ার ১.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে এখন দাঁড়িয়েছে ৪২.৮ শতাংশে।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গ্রামীণফোন লিঃ এর পরিচালকমণ্ডলী ২০১৪ সালের জন্য পরিশোধিত মূলধনের ৬৫ শতাংশ (প্রতিটি ১০ টাকার শেয়ারের জন্য ৬.৫ টাকা) চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
