বিবৃতিদাতাদের বিষয়ে আদেশ ২৩ ফেব্রুয়ারি

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ২১:০৪
বাংলাদেশে বসবাসরত ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যানকে আদালত অবমাননার দায়ে সাজা দেয়ায় উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি প্রদানকারী ৪৯ জনের বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে। যদিও বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য ছিল।
 বুধবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে প্রকাশিত সম্পাদকীয়র জন্য যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের দূতাবাসের মাধ্যমে ব্যাখা পাঠাতে বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২ ডিসেম্বর আদালত অবমাননার দায়ে ডেভিড বার্গম্যানকে আদালত চলাকালীন কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে ট্রাইব্যুনাল। এ সাজার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি প্রদান করেন ৫০ জন বিশিষ্ট নাগরিক। গত ২০ ডিসেম্বর দৈনিক প্রথম আলোয় ‘বার্গম্যানের সাজায় ৫০ নাগরিকের উদ্বেগ’ শীর্ষক প্রতিবেদন ছাপা হয়। পরে মানবাধিকারকর্মী খুশি কবির বিবৃতি থেকে তার নাম প্রত্যাহার করেন।
এরপর ২৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল-২ এক আদেশে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রথম আলোকে ওই বিবৃতির অনুলিপি ট্রাইব্যুনালে দাখিলের আদেশ দেন। সেই অনুসারে বিবৃতির অনুলিপি জমা দিলে ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী আদেশে বিবৃতিদাতাদের ঠিকানা চান। আদেশ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শাহদীন মালিক ও মানবাধিকারকর্মী হানা শামস আহমেদ বিবৃতিদাতাদের ঠিকানা ট্রাইব্যুনালে পেশ করেন। এর পর বিবৃতিদাতা ৪৯ জনের কাছে তাঁদের দেয়া বিবৃতির ব্যাখ্যা চেয়ে আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। পরে বিবৃতিদাতার মধ্যে ১৪ জন ট্রাইব্যুনালের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চান। নয়জন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেন। দেশের বাইরে থাকা ১২ জনকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ব্যাখ্যা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় একটি সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়। ওই সম্পাদকীয়তে আদালত অবমাননার দায়ে বার্গম্যানকে দেয়া ট্রাইব্যুনালের সাজা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।