সংলাপ ব্যর্থ হলে, পরবর্তী বিকল্পও সংলাপ: টাইমস অব ইন্ডিয়াকে মঈন খান

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ২২:০৪

 

 

 

‘এ মুহূর্তে সংলাপই একমাত্র পথ’ উল্লেখ করে বাংলাদেশে চলমান সংকটাবস্থা থেকে উত্তরণে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে বিএনপি। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেয়া এক ই-মেইল-সাক্ষাত্কারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সংকট সমাধানের একমাত্র পন্থা হচ্ছে—ঐকমত্যে আসার জন্য পরামর্শ ও আলোচনা করা। সংলাপ ব্যর্থ হলে, পরবর্তী বিকল্পও সংলাপ।’

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ‘নিশ্চিতভাবে আন্তর্জাতিক সম্প্র্রদায়ের স্বার্থেই বাংলাদেশে বর্তমানে যে অচলাবস্থা বিরাজ করছে, তা দ্রুত সমাধানে নজর দিতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সংকট সমাধানের একমাত্র পন্থা হচ্ছে—ঐকমত্যে আসার জন্য পরামর্শ ও আলোচনা করা। সংলাপ ব্যর্থ হলে, পরবর্তী বিকল্পও সংলাপ।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য মনে করেন—উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংলাপের কোনো বিকল্প নেই। সংলাপ ব্যর্থ হলে, ফের সংলাপের মাধ্যমেই এ সংকটাবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব। দেশে বিরাজমান সহিংসতা ও অচলাবস্থা নিরসনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মধ্যে সংলাপ আয়োজনে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মঈন খান।

নিরীহ মানুষকে টার্গেট করে বিএনপি কেন সহিংসতার পথ বেছে নিল—এমন এক প্রশ্নের জবাবে মঈন খান বলেন, ‘বিএনপি কোনো ধরনের সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত নয়। বর্তমানে ব্যাপক মাত্রায় যে সহিংসতা  চলছে, তা দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংঘাতের ফল। গণতান্ত্রিক আদর্শ ও মূল্যবোধের অভাবে শাসনব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার কারণেই এ সহিংসতার সূত্রপাত। চলমান সহিংসতা কোনো রোগ নয়, রোগের উপসর্গ।

সংলাপ আয়োজনে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ চাওয়ার কারণ হিসেবে মঈন খান বলেন, ‘বিএনপির বহু সিনিয়র নেতাসহ প্রায় ১০ হাজার কর্মী মিথ্যা মামলায় আটকাবস্থায় রয়েছেন। সংলাপে বসার মতো গণতান্ত্রিক পরিবেশ দেশে নেই। চিহ্নিত কোনো অপরাধী বিরুদ্ধে সরকার এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।’