ব্র্যাকের কর্মশালায় বক্তারা

শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার অন্যতম কারণ যৌন হয়রানি

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ১৯:৩৯
স্কুল থেকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার অন্যতম কারণ যৌন হয়রানি। এ কারণে অভিভাবকরা এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতা ও অনিশ্চয়তা বোধ করেন এবং পরিণামে শিক্ষার্থীদের বাল্যবিবাহ দেয়া হয়। ফলে মেয়েদের সামর্থ্য ও সম্ভাবনার বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ মিলনায়তনে ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি বিভাগের ‘মেয়েদের জন্য নিরাপদ নাগরিকত্ব’ (মেজনিন) কর্মসূচির উদ্যোগে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে এক সচেতনতামূলক কর্মশালায় বক্তারা এ কথা বলেন।
কর্মশালায় সরকারি প্রায় ২০০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মেজনিন কর্মসূচির ম্যানেজার সারা খাতুন।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকার অধ্যক্ষ অধ্যাপক দীপক কুমার নাগ বলেন, যৌন হয়রানি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই অপরাধ প্রতিরোধে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। টিচার্স ট্রেনিং কলেজে যারা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন তাদের সকলের যৌন হয়রানি প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন আইন ও নীতিমালা, হাইকোর্টের নির্দেশনা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, প্রশিক্ষণার্থী সকল শিক্ষক প্রশিক্ষণ শেষে যার যার বিদ্যালয়ে ফিরে গিয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। কর্মশালায় শিক্ষকগণ তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সুস্পষ্ট অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সাল থেকে ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি বিভাগের ‘মেয়েদের জন্য নিরাপদ নাগরিকত্ব’ (মেজনিন) কর্মসূচি চালু আছে। এর মাধ্যমে ঢাকাসহ ১৩টি জেলার ৪০০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি শিক্ষক, অভিভাবক, স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য ও কমিউনিটির সদস্যদের ঐক্যবদ্ধ করে নারীর প্রতি যৌন হয়রানি ও সহিংসতা প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।