বঙ্গোপসাগরের পায়রা নদী মোহনায় একটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার দুই শতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে গেছে। এ ঘটনায় সাতজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছে ৩ জন। শুক্রবার বেলা ১টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ট্রলারটি ভক্তদের নিয়ে পটুয়াখালীর মহিপুর থেকে বরগুনার বামনা উপজেলার চলাভাঙ্গা পীরের দরবার শরিফে তিনদিন ব্যাপী ওয়াজ মাহফিলে যোগ দেয়ার উদ্দেশে যাচ্ছিল। পাথরঘাটা থেকে কোস্টগার্ডের ৩টি বোট গিয়ে সেখানে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে।
তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দুলাল ফরাজি জানান, নিহতরা হলেন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ঝাউবনের জয়নাল আবেদীন (৬০), লক্ষ্মীপুরার শফিজদ্দিন চৌকিদার (৫৫), নয়ামিস্ত্রীপাড়ার আমির আলি (৪২), বি আর আমখোলার ইউসুফ মাঝি (৪৫), খাজুরার আবু নাঈম (১৩), মহিপুরের আলী হোসেন (৩৫) ও হারুন মুন্সী (৩৭)।
দুলাল ফরাজী জানান, অনেক যাত্রীকে তারা মাছ ধরা ট্রলার নিয়ে উদ্ধার করেছেন। ট্রলারডুবির ঘটনায় চলাভাঙ্গা দরবার শরীফের পীর মাওলানা সৈয়দ মুহা. সায়াদ হোসেন গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
এদিকে, ট্রলার ডুবিতে নিহত সাতজনের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন। নিহত ওই সাত ব্যক্তি পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা বলে জানিয়েছেন কলাপাড়া নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম । জেলা প্রশাসক অমিতাভ সরকারের পক্ষে তিনি জানান, নিহত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে।
