চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রেলপথে কন্টেইনার পরিবহন সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। রেলপথে রাজধানীর কমলাপুর আইসিডিতে কন্টেইনার পরিবহন করা হয়। বন্দরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত বৃহস্পতিবার ২৪ ঘন্টায় ১৬টি কন্টেইনার নেয়া হয়। রেলের সাথে বন্দরের চুক্তি অনুযায়ী প্রতিদিন ১২০টি কন্টেইনার পরিবহন করার কথা। রেল ও বন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, রেলে যাত্রীবাহী ট্রেনের গতি শ্লথ হয়ে পড়ায় এবং রেলপথে নাশকতা ও ‘দুর্ঘটনার’ কারণে রেল চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। মূলত এ কারণেই কন্টেইনার ও পণ্য পরিবহনের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে পণ্যবাহী কন্টেইনার আসার পরিমাণ কিছুটা কম। বন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে ফেব্রুয়ারি মাসে সাধারণত প্রতিবছর পণ্য আমদানি কম থাকে। তাছাড়া দেশে অস্থিতিশীলতার কারণে কিছুটা প্রভাব পড়া স্বাভাবিক। আবার শিল্প-কারখানার ক্যাপিটাল মেশিনারিজ আসা কমে যাওয়ায় কন্টেইনার আসার অবস্থা কিছুটা নেতিবাচক লক্ষণীয়। চট্টগ্রাম বন্দরের ভিতর কন্টেইনার হ্যান্ডিলং-এর ক্ষেত্রে বাইরের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কোন প্রভাব নেই। এতে করে হ্যান্ডিলং কার্যক্রম যথারীতি চললেও সড়ক ও রেলপথে পরিবহন ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় বন্দর থেকে আমদানিকারকগণ পণ্য ডেলিভারি নিতে দ্বিধায় থাকেন। সড়কপথে নাশকতাও ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেকে পণ্য নিতে দেরি করছেন। বন্দর সূত্রে বলা হয়, বন্দরে পণ্যজটের আপাতত শঙ্কা নেই।
