৫০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ খেলাপিদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধার বিষয়টি ব্যাংকিং খাতে নৈতিক সমস্যা তৈরি করবে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। অর্থনীতি বিশ্লেষক ড. মামুন রশীদের লেখা ‘নীরব দেশত্যাগ, হুন্ডি ও অভিবাসন’ নামক বইয়ের প্রকাশনা উত্সবে বক্তারা এ কথা বলেন। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খানের সভাপতিত্বে বইটির প্রকাশনা অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, দৈনিক বণিক বার্তার সম্পাদক হানিফ মাহমুদ, আগামী প্রকাশনীর প্রকাশক ওসমান গনি এবং লংকা বাংলা ফিন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন চৌধুরী।
সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্যাংকগুলো এখন খোঁজ খবর না নিয়ে সম্পর্কের ভিত্তিতে ব্যাংকিং করছে। এ পরিস্থিতি থেকে বের হতে হবে। তাছাড়া ব্যাংকগুলোর অনেক খেলাপি ঋণ আসলে ঋণই না। সেগুলো দেওয়াই হয়েছে লুটপাটের জন্য। খেলাপি ঋণ দ্রুত আদায়ের জন্য পৃথক আদালত প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। কারণ এখন আদালতে অনেক মামলা রয়েছে। সেখানে গেলে ১০-১৫ বছরে কোনো মামলা নিষ্পত্তি হয় না। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকা থেকে এক সময় নাম মুছে যায়। ফলে খেলাপিরা নতুন করে ঋণ নিতে পারে।
