যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে অস্ত্রবিরতি লংঘনের নিন্দা জানিয়েছেন। অস্ত্রবিরতি লংঘনের জন্য রাশিয়াকে দায়ী করে এর জন্য দেশটিকে চড়া ‘মূল্য’ দেয়ার ব্যাপারেও হুঁশিয়ার করেছেন।
হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের দেবালতসেভ শহরের রুশ বাহিনীর সহায়তায় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অস্ত্রবিরতি লংঘনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বাইডেন। তার আগে এই মার্কিন নেতা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পেত্রো পোরোশেঙ্কর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন।
ইউরোপে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংস্থার (ওএসইসি) পর্যবেক্ষকদের দেবালতসেভ শহরে ঢুকতে রাশিয়া ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিরও তীব্র নিন্দা জানান বাইডেন।
রুশপন্থী বিদ্রোহী ও সরকারি সৈন্যদের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে বেলারুশের রাজধানী মিনস্কে গত সপ্তাহে ফ্রান্স, জার্মানী, রাশিয়া ও ইউক্রেনের নেতারা একটি অস্ত্রবিরতি চুক্তিতে সম্মত হন। তবে মঙ্গলবার অস্ত্রবিরতি লংঘন করায় দেবালতসেভ শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্য লড়াই শুরু হয়।
ইউক্রেনে রাশিয়াপন্থী সাবেক প্রেসিডেন্ট ভিক্তর ইয়ানুকোভিচ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাথে চুক্তি করতে অস্বীকৃতি জানানোর পর গত ফেব্রুয়ারিতে আন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হন। এরপর গত এপ্রিলে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের দোন্যেস্ক ও লুহানস্কতে রুশপন্থীরা বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা শুরু করে। এর কয়েক সপ্তাহ আগে এক গণভোটের মাধ্যমে ক্রিমিয়া উপদ্বীপ ইউক্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর রুশ ফেডারেশনে যুক্ত হয়।
ইউক্রেন সরকার ও পূর্বাঞ্চলের বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ৫ হাজার ৪শ’ জনের বেশি নিহত হয়েছে।
হেয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত মিনস্ক চুক্তি অব্যাহতভাবে লংঘন করলে রাশিয়াকে এর চড়া মূল্য দিতে হবে।’সূত্র: এএফপি
ইউক্রেনে রাশিয়াপন্থী সাবেক প্রেসিডেন্ট ভিক্তর ইয়ানুকোভিচ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাথে চুক্তি করতে অস্বীকৃতি জানানোর পর গত ফেব্রুয়ারিতে আন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হন। এরপর গত এপ্রিলে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের দোন্যেস্ক ও লুহানস্কতে রুশপন্থীরা বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা শুরু করে। এর কয়েক সপ্তাহ আগে এক গণভোটের মাধ্যমে ক্রিমিয়া উপদ্বীপ ইউক্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর রুশ ফেডারেশনে যুক্ত হয়।
ইউক্রেন সরকার ও পূর্বাঞ্চলের বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ৫ হাজার ৪শ’ জনের বেশি নিহত হয়েছে।
হেয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত মিনস্ক চুক্তি অব্যাহতভাবে লংঘন করলে রাশিয়াকে এর চড়া মূল্য দিতে হবে।’সূত্র: এএফপি
