পুুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের বিষয়টি তদন্ত কর্মকর্তার বিষয়। তিনি (বেগম খালেদা জিয়া) যদি সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে যদি প্রমাণিত হন তিনি অপরাধী, তা হলে তা তদন্ত কর্মকর্তার বিষয়। যদি তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের সহযাগিতা চান, তবে সহযোগিতা করা হবে।’ বুধবার দুপুরে র্যাব সদর দফতর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি এ কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, ‘বাস মালিক সমিতির অনুরোধে রাতে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়নি। তবে তারা যদি মনে করে যে, পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে, তবে তারা বাস চলাতে পারেন। এটা তাদের সিদ্ধান্ত। এ পর্যন্ত মহাসড়কে প্রায় ৫৪ হাজার গাড়ি চলাচল করছে। পরিস্থিতি উন্নতি হচ্ছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। যখন কোনো ঘটনা ঘটে, সেখানে সকল নাগরিকের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা হলে তাদেরও আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। সে সময় যদি কেউ গুলি করে, তখন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায়। তখন সন্ত্রাসীরা মারা যাচ্ছে।’
আইজিপি বলেন, ‘এ সব ঘটনার একাধিক তদন্ত কমিটি হয়। তাদেরও জবাবদিহিতার মধ্য দিয়েই যেতে হয়।’
হিযবুত তাহরীর আইএসের আদলে বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটাতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ রকম কোনো তথ্য তার কাছে নেই। পুলিশ এই সংগঠনকে হুমকি মনে করে না। তবে পুলিশ-র্যাবসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্তক অবস্থানে রয়েছে।’
গণগ্রেফতার ও মামলার বিষয়ে আইজিপি বলেন, ‘যারা নাশকতা করছে বা সন্দেহ আছে যে করতে পারে, তাদের ডিটেক্ট করে গ্রেফতার করা হচ্ছে। পুলিশ এখন পর্যন্ত রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, শ্যামলী এবং গাইবান্ধা ও কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পেট্রোলবোমা ছুড়ে মারার ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে। এ সব ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতার করতে পারলে চার্জশিট দেয়া হবে।
গুলশানে নৌ-পরিবহন মন্ত্রীর নেতৃত্বে অবস্থান কর্মসূচিতে বোমা হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তদন্তে হচ্ছে। তদন্তে অগ্রগতি হলে তা আপনাদের জানানো হবে।’
